sar

কিভাবে যত্ন নিলে ৪০ বছর পরও নতুন থাকবে বিয়ের বেনারসি!

আগের সংবাদ
saa

সুদহার বাড়ালে ভুগবে দেশের শিল্প খাত

পরের সংবাদ

অর্থনীতির ঝুঁকি কমাবে আইএমএফের ঋণ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট ঢাকা

প্রকাশিত: ২০২২-১১-০৭ , ১২:১৯ পূর্বাহ্ণ
আপডেট: ২০২২-১১-০৭ , ১২:১৯ পূর্বাহ্ণ
sa

কালের কণ্ঠ : এক দশকের বেশি সময় আইএমএফের কাছ থেকে ঋণ নেয়নি বাংলাদেশ, এখন ঋণ নেওয়াটা কতটা জরুরি বলে মনে করছেন?

জাহিদ হোসেন : ২০১০ সালের পর বাংলাদেশ আইএমএফের কাছ থেকে কোনো ঋণ নেয়নি। অবশ্য ২০২০ সালে কভিডের জন্য ৭৩ কোটি ডলার অনুদান পেয়েছিল বাংলাদেশ। এটি ঋণ ছিল না। কিন্তু এখন বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনের ভারসাম্য (ব্যালান্স অব পেমেন্টে) কমে আসায় এবং উচ্চ মূল্যস্ফীতির সংকটের কারণে বৈদেশিক ঋণের চাহিদা তৈরি হয়েছে।

আবার যে হারে রিজার্ভ কমছে, সেটি সামনের দিনে আরো কমবে, এটি নির্দ্বিধায় বলা যায়। এই পরিস্থিতিতে লেনদেনের ভারসাম্য ঠিক রাখতে হলে বৈদেশিক ঋণের কোনো বিকল্প নেই। মনে রাখতে হবে, শ্রীলঙ্কায় লেনদেনের ভারসাম্যে সমস্যা হয়েছিল বিধায় ঋণ নিতে হয়েছে। আর সমস্যার আশঙ্কা আছে বলে বাংলাদেশ ঋণ নিতে চাচ্ছে।
এই মুহূর্তে দেশের অর্থনীতিতে দুটি চাপ প্রবল। প্রথমটি হলো, বৈদেশিক মুদ্রার সংকট। দ্বিতীয়টি মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি। আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের দাম বাড়া, ডলারেরদাম বাড়া এবং করোনা-পরবর্তী অর্থনীতি পুনরুদ্ধার বা চাপা পড়া চাহিদা হঠাৎ বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে মূল্যস্ফীতি বাড়ছে। তাই লেনদেনের ভারসাম্য আনতে এই ঋণ নিতে হচ্ছে।

কালের কণ্ঠ : ঋণের জন্য আইএমএফ কী ধরনের শর্ত নিয়ে আলোচনা করছে? শর্তের কারণ কী?

জাহিদ হোসেন : বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ নির্ধারণে আইএমএফের হিসাব পদ্ধতি অনুসরণ, ব্যাংকের সুদ হারের সীমা (৯ শতাংশ) প্রত্যাহার, বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার বাজারের ওপর ছেড়ে দেওয়া, খেলাপি ঋণ কমানো এবং এর সংজ্ঞা পরিবর্তন, জ্বালানি তেলের ভর্তুকি কমানো, ব্যাংক ও আর্থিক খাত সংস্কার, কর ব্যবস্থাপনাকে দক্ষ করা, রাজস্ব খাতে ব্যাপক সংস্কার আনার সুপারিশ করেছে আইএমএফ। ঋণ দেওয়ার আগে আইএমএফ সার্বিকভাবে মূল্যায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে কাজ করে। ঋণ দেওয়ার আগে তাদের বোর্ডে প্রতিবেদন দাখিল করতে হয়। সেই প্রতিবেদন তৈরির ক্ষেত্রে আগাম কিছু কাজ করে থাকে আইএমএফ। যে দেশ ঋণ নিতে আগ্রহ দেখায়, সেই দেশের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে একটি প্রতিবেদন বিশ্বব্যাংকের বোর্ড বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়। সেই প্রতিবেদনে আইএমএফের উল্লেখ করা বিষয়গুলোতে পদক্ষেপ নেওয়া হবে বা কার্যক্রম হাতে নেওয়া হবে—এ ব্যাপারে আশ্বস্ত না হলে ঋণ পাওয়া বেশ কঠিন হয়। আবার এটাও সত্য, আইএমএফেরও ঋণ দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।

কালের কণ্ঠ : আইএমএফের ঋণ বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনীতিকে কতটা স্বস্তি দেবে বলে আপনি মনে করেন?

জাহিদ হোসেন : বাংলাদেশ যে ৪৫০ কোটি ডলার চেয়েছে, সেটি একসঙ্গে পাবে না। পর্যায়ক্রমে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে যোগ হবে। এটি আবার ব্যয় মেটানোর সঙ্গে জড়িত। এই অবস্থায় ৪৫০ কোটি ডলার পেলে বাংলাদেশের তিন-চার মাসের বৈদেশিক ব্যয় মেটানো সম্ভব হবে। আমদানি ব্যয় মেটানোর পরিপ্রেক্ষিতে এই ঋণ হয়তো খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ না-ও হতে পারে। কিন্তু অন্যান্য বিষয় বিবেচনায় নিলে এই ঋণের গুরুত্ব রয়েছে। এই ঋণ অর্থনীতিতে একটি স্বস্তি আনবে। অর্থনীতির বিভিন্ন অংশীজন বিশেষ করে বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করবে। ফলে বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাবে। অন্যান্য অর্থায়নের বাধাও দূর হবে। পাশাপাশি আইএমএফের ঋণ তুলনামূলক কম সুদে পাবে বাংলাদেশ। এতে ঝুঁকি সূচকে বাংলাদেশের উন্নতি হবে। বাংলাদেশের অবস্থান সুদৃঢ় হবে। সার্বিকভাবে আইএমএফের ঋণের ইতিবাচক প্রভাব নানাভাবে অর্থনীতিতে পড়বে।

রিজার্ভের সংকট কাটাতে এবং বাজেট সহায়তার জন্য এই ঋণ নিতে হবে। অর্থনীতির বড় সংকট এখন বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ। আইএমএফের ঋণের সুদের হার কম এবং এটা দীর্ঘমেয়াদি। ফলে এর চাপ কম হবে, কিন্তু রিজার্ভের ঘাটতি কমাতে সহায়ক হবে।

কালের কণ্ঠ : বিনিময় হার ও ব্যাংক সুদের হার পুনর্নির্ধারণ কেন প্রয়োজন?

জাহিদ হোসেন : সুদের হার ব্যাংকগুলোর হাতে ছেড়ে দিতে বলেছে আইএমএফ। বছরে দুইবার মুদ্রানীতি প্রকাশের সুপারিশও করেছে সংস্থাটি। এ ছাড়া মুদ্রার বিনিময় হার বাজারের ওপর ছেড়ে দেওয়ার শর্ত দিয়েছে আইএমএফ। এগুলো দেশের অর্থনীতির স্বার্থেই বলেছে তারা। বাংলাদেশের অর্থনীতিকে সঠিক পথে চালাতে গিয়ে এমন কিছু কাজ করা হয়েছে, যেগুলো হিতে বিপরীত হয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম নিয়ন্ত্রিত বহুমুখী মুদ্রা বিনিময় হার। ডলারের বিপরীতে ৬০টিরও বেশি দামে কেনাবেচা হচ্ছে বাংলাদেশি টাকা। একই মুদ্রার অর্ধশতাধিকের বেশি হারে কেনাবেচা বিশ্বে বিরল। অবৈজ্ঞানিকভাবে বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হারের কারণে রপ্তানি নিরুৎসাহ হচ্ছে। আবার নানাভাবে অর্থপাচারকে উৎসাহিত করা হচ্ছে। এ ধরনের বিনিময় হারের কারণে বৈধ পথে প্রবাস আয় (রেমিট্যান্স) কমছে। রেমিট্যান্সের টাকা দিয়ে আমদানি-রপ্তানির ঘাটতি মেটানো যেত। কিন্তু সেই রেমিট্যান্সেও টান পড়েছে। জুলাই ও আগস্ট মাসে প্রায় একই পরিমাণ রেমিট্যান্স এসেছে। কিন্তু সেপ্টেম্বরের প্রথম দুই সপ্তাহের তুলনায় পরবর্তী দুই সপ্তাহে এসেছে মাত্র অর্ধেক। সেপ্টেম্বরের শেষ থেকেই কমতে শুরু করেছে প্রবাস আয়। প্রবাসীরা বৈধ পথে বিশেষ করে ব্যাংকে কিংবা এক্সচেঞ্জ হাউসের মাধ্যমে না পাঠিয়ে অন্য মাধ্যমে বেশি টাকা পাঠাচ্ছে। কেননা এখন বৈধ মাধ্যমে এক ডলারে ১০৮ থেকে ১১০ টাকার বেশি পাওয়া সম্ভব নয়। কিন্তু অবৈধ পথে পাঠালে ১১৪ টাকার বেশি পাওয়া যাচ্ছে।

বর্তমান বিনিময় হার নতুন উদ্যোক্তা ও ছোট উদ্যোক্তাদের রপ্তানি করতে নিরুৎসাহ করছে। ফলে বাণিজ্য বহুমুখীকরণ হচ্ছে না।

কালের কণ্ঠ : এই মুহূর্তে ব্যাংক সুদ হারের পরিবর্তন কেন জরুরি?

জাহিদ হোসেন : সস্তা ঋণ মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধিতে প্রভাব রাখছে। আবার মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির কারণে চাপ তৈরি হয়েছে ব্যাংক খাতে। ব্যাংকগুলোর আমানতসহ সব খাতে খরচ বেড়েছে। গত কয়েক মাসের ব্যবধানে ডলারের দাম ও মূল্যস্ফীতি বাড়ার কারণে নির্দিষ্ট সুদহারে ব্যাংকগুলোর পক্ষে ব্যবসা করা কঠিন। এই অবস্থায় আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো সঠিকভাবে চলমান রাখতে হলে সুদহারের পরিবর্তন জরুরি। আবার সুদহার বিনিয়োগের জন্য সহনীয় পর্যায়ে থাকাও জরুরি। এ ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোর পরিচালন ব্যয় কমিয়ে আনতে পারলে সহনীয় সুদহারে মুনাফা করতে পারবে তারা।

কালের কণ্ঠ : বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ হিসাব করার পদ্ধতি কেন সংশোধন করতে হবে? বাংলাদেশ কি স্বীকৃত পদ্ধতি অনুসরণ করে না?

জাহিদ হোসেন : কয়েক মাস ধরে রিজার্ভ কমছে। আবার রিজার্ভের যে তথ্য দেওয়া হচ্ছে, সেটি নিয়ে দ্বিমত রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক যা বলছে, তার চেয়ে ন্যূনতম ৭৫০ কোটি ডলার কম বলছে আইএমএফ। তার মানে, আইএমএফ সরকারের হিসাব মানছে না। মনে হচ্ছে, রিজার্ভের অর্থ দিয়ে রপ্তানি উন্নয়ন তহবিল, লং টার্ম ফান্ড (এলটিএফ), গ্রিন ট্রান্সফরমেশন ফান্ড (জিটিএফ) গঠন ছাড়াও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানকে অর্থ দেওয়া হয়েছে। এ কারণে রিজার্ভের তথ্যে গরমিল হচ্ছে। সর্বশেষ হিসাবে দেশে প্রকৃতপক্ষে ২৪-২৫ বিলিয়ন ডলারের রিজার্ভ রয়েছে। তাই সঠিক হিসাবের মাধ্যমে প্রকৃত রিজার্ভ বিবেচনায় নিয়েই সামনের দিনে আমদানি ও রপ্তানি বাণিজ্য পরিচালনা করতে হবে।

কালের কণ্ঠ : রিজার্ভের হিসাব আইএমএফের সুপারিশ অনুসারে করলে কী ধরনের সুবিধা পাবে বাংলাদেশ?

জাহিদ হোসেন : যেকোনো আর্থিক হিসাবের একটি সঠিক ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে গ্রহণযোগ্য পদ্ধতি থাকতে হবে। সেটি করলে স্বচ্ছতা আসবে। তখন অর্থ ব্যবস্থাপনায়ও সতর্কতা আসবে। এখন কিছুটা ফুলিয়ে দেখানোর কারণে তুষ্টি রয়েছে। সঠিকভাবে দেখানোর মাধ্যমে সঠিক অর্থ কতটুকু আছে, সেটি জানা গেলে খরচে সতর্কতা আসবে। যেকোনো বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ সঠিক হবে। আইএমএফের কাছে এটি আরো গুরুত্বপূর্ণ। কেননা রিজার্ভ দিয়ে কত দিন ব্যয় মেটাতে পারবে, সেটি জানা প্রয়োজন।

কালের কণ্ঠ : উন্নয়ন প্রকল্পের মেয়াদ না বাড়ানোর কথাও বলছে আইএমএফ। এটা কি দুর্নীতি কমানো বা সুশাসনের জন্য? তারা কি একটু ঘুরিয়ে বলছে?

জাহিদ হোসেন : বাংলাদেশে প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বাড়ানো একটি সংস্কৃতিতে পরিণত হয়েছে। এই দুটি খারাপ কাজ দীর্ঘ সময় চলে এলেও কাউকে কোনো ধরনের জবাবদিহির মধ্যে পড়তে হয় না। পার পাওয়া যায়—এমন সংস্কৃতি থাকলে আর্থিক দুর্নীতি ও অর্থের অপচয় বাড়ে। এই ধরনের রীতি থেকে বের হতে হবে। প্রকল্পে শৃঙ্খলা আনতে হলে নির্দিষ্ট সময়ে ও ব্যয়ে প্রকল্প শেষ করতে হবে। এটি করা হলে প্রকল্প তৈরি থেকে শেষ পর্যন্ত একটি সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ করা সম্ভব হবে। সেই পরিকল্পনা বাস্তবসম্মত হবে। নির্দিষ্ট সময়ে প্রকল্প শেষ করতে পারলে দুর্নীতি ও অর্থের অপচয় কমানো যাবে। পাশাপাশি প্রকল্পগুলোতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে।

কালের কণ্ঠ : ভর্তুকি কমানোর বিষয়ে কেন আইএমএফের এত চাপ?

জাহিদ হোসেন : দেশের অর্থনীতি ও বৈষম্য কমানোর স্বার্থেই বিভিন্ন খাতে ভর্তুকি যৌক্তিকীকরণ করতে হবে। কাকে দেওয়ার লক্ষ্য নেওয়া হচ্ছে, আর কে পাচ্ছে, তার মধ্যে বড় পার্থক্য রয়েছে। ভর্তুকি মূলত দরিদ্র ও পিছিয়ে পড়া মানুষের কল্যাণের জন্যই দেওয়া হয়। কিন্তু সেই মানুষ তা পাচ্ছে কি না, সেটাই বড় প্রশ্ন। জ্বালানি, কৃষি, রেমিট্যান্স, রপ্তানি ও বিশেষ অর্থায়নে ভর্তুকি সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। এখন জ্বালানি খাতে যে ভর্তুকি দেওয়া হচ্ছে তার বেশি অংশ পাচ্ছে ধনীরা। আবার রপ্তানিতে বিভিন্ন মাত্রায় প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে, কিন্তু রপ্তানি এখনো বহুমুখীকরণ হয়নি। ফলে সেটি দেওয়ার আর কোনো যৌক্তিকতা থাকে না। রপ্তানি ভর্তুকি আর ওষুধ হিসেবে কাজ করছে না। আবার বৈধ পথে রেমিট্যান্স বৃদ্ধির জন্য কয়েক হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি (প্রণোদনা) দেওয়া হচ্ছে। সেখানে বৈধ পথে খুব বেশি রেমিট্যান্স আসছে না। ফলে গোড়ায় সমস্যার সমাধান না করলে যতই ভর্তুকি দেওয়া হোক না কেন তা কাজে আসবে না।

তবে কৃষি খাতে ভর্তুকি তুলে দেওয়া একেবারেই সম্ভব নয়। এটার প্রয়োজন এখনো আছে। যদিও ধীরে ধীরে প্রথাগত ভর্তুকি দেওয়ার পথ থেকে বের হতে হবে। এই খাতে সামাজিক সুরক্ষার মাধ্যমে ভর্তুকি প্রদান করে দরিদ্র ও পিছিয়ে পড়া কৃষকের সহায়তা বৃদ্ধি করতে হবে। অর্থাৎ সব ধরনের ভর্তুকির ক্ষেত্রে কারা পাবে, সেটি যৌক্তিকভাবে নির্ধারণ করতে হবে। পাশাপাশি তাদের কাছে ভর্তুকি পৌঁছানোর কৌশল পুনর্নির্ধারণ করতে হবে।

কালের কণ্ঠ : আর্থিক খাতে সংস্কারের কথা দেশের অর্থনীতিবিদরা অনেক দিন থেকে বলে আসছেন। এখন আইএমএফও বলছে। সরকার কি এর প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছে না?

জাহিদ হোসেন : ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সবাই যে খারাপ করছে, এটি ঢালাওভাবে বলার সুযোগ নেই। খেলাপি ঋণ কমানোর ক্ষেত্রে তেমন উন্নতি হয়নি। এটি মূলধন ঘাটতির অন্যতম কারণ। এজন্যই রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের উচ্চ খেলাপি ঋণ কমাতে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, সেটি জানতে চেয়েছে আইএমএফ। সংস্কারের শুরুটা হতে হবে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের মাধ্যমে। পরিচালনা পরিষদ গঠন এবং কার্যক্রম পরিচালনায় বড় ধরনের সংস্কার আনতে হবে। ব্যাংক কম্পানি আইনে ব্যাপক পরিবর্তন, নতুন ব্যাংক অনুমোদন ও মূলধন ঘাটতি পূরণে কঠোর হওয়ার কোনো বিকল্প নেই। সুশাসন ও আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা আনতেই ব্যাংক খাতে সংস্কার করতে হবে।

কালের কণ্ঠ : সময় দেওয়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

জাহিদ হোসেন : কালের কণ্ঠকেও ধন্যবাদ।

মন্তব্য করুন

যে মন্তব্যগুলো খবরের বিষয়বস্তুর সাথে মিল আছে এবং আপত্তিজনক হবে না সেই মন্তব্যগুলোই দেখানো হবে। প্রকাশিত মন্তগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত। পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য AZnewsbd কোন দায়ভার গ্রহণ করবে না।

জনপ্রিয়