বাংলাদেশ: সোমবার ২০শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
৫ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১৩ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি

  বাংলাদেশ: সোমবার ২০শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৫ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১৩ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি  

শেষ আপডেটঃ ১:৫২ পিএম

অ্যাবোরশন করার আগে যেসব জানা জরুরি

যদি আপনি গর্ভবতী হন কিন্তু সন্তান জন্মদানের প্রস্তুতি এবং মানসিকতা না থাকে সেক্ষেত্রে সম্ভবত বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অ্যাবোরশনের পথই বেছে নিবেন। এক্ষেত্রে অ্যাবোরশনের পদ্ধতি এবং অ্যাবোরশন পরবর্তী ব্যবস্থা সম্পর্কে অবশ্যই পরিষ্কার ধারনা নিয়ে রাখা উচিৎ।

গর্ভপাত দুইভাবে করানো সম্ভব। মেডিক্যাল এবং সার্জিক্যাল পদ্ধতি। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অ্যাবোরশনের জন্য মানুষ মেডিক্যাল অ্যাবোরশন ই বেছে নেয় কারন এটা সার্জিক্যালের তুলনায় অনেকটা নিরাপদ এবং সহজ। তবে পরিস্থিতি জটিল হলে সার্জিক্যাল অ্যাবোরশনের সিদ্ধান্ত নেয়া লাগতে পারে।

★ মেডিক্যাল অ্যাবোরশন : এ অ্যাবোরশন কে মেডিকেশন অ্যাবোরশনও বলা হয়।এ অবস্থায় সাধারণত গর্ভপাতের জন্য পিল গ্রহণ করা হয়। গর্ভধারনের তিন মাসের মধ্যে এ ধরনের অ্যাবোরশন করা সম্ভব। এক্ষেত্রে সাধারণত ভাবে রক্তপাত এবং পেটে ব্যাথা হতে পারে।
মেডিক্যাল গর্ভপাতের সম্ভাব্য ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে:
– অসম্পূর্ণ গর্ভপাত
-চলমান অবাঞ্ছিত গর্ভাবস্থা যদি পদ্ধতিটি কাজ না করে
-ভারী এবং দীর্ঘ রক্তপাত
-জ্বর
-পাচনতন্ত্রের অস্বস্তি

★সার্জিক্যাল গর্ভপাত : অস্ত্রোপচার গর্ভপাত পদ্ধতিতে মায়ের গর্ভ (জরায়ু) থেকে ভ্রূণ এবং প্লাসেন্টা অপসারণ করে একটি অবাঞ্ছিত গর্ভাবস্থা শেষ করা হয়।
অস্ত্রোপচারের গর্ভপাতের সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলির মধ্যে রয়েছে-
-রক্ত জমাট বাঁধা সহ রক্তপাত
-ক্র্যাম্পিং
-বমি বমি ভাব এবং বমি
– ঘাম
-মূর্ছা বোধ করা।

গর্ভপাত করতে হলে অবশ্যই প্রথমে মানসিক ভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে। সবথেকে ভালো হয় চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করে সিদ্ধান্ত নেয়া। এবং সে অনুযায়ী অ্যাবোরশনের ব্যবস্থা করা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *