বাংলাদেশ: শুক্রবার ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
২রা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১০ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি

  বাংলাদেশ: শুক্রবার ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ২রা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১০ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি  

শেষ আপডেটঃ ১০:৪৭ পিএম

আইসক্রিম-চিংড়িকে সঙ্গী করে মহাকাশে ছুটলো পিঁপড়া

মহাকাশে যাচ্ছে আইসক্রিম। শুনতে অবাক লাগছে? অবাক লাগলেও ঘটনাটি সত্য। শুধু আইসক্রিম নয়, সাথে যাচ্ছে পাতিলেবু, চিংড়ি ও পিঁপড়া। সব মিলিয়ে ২ হাজার ১৭০ কিলোগ্রাম ওজনেরও বেশি খাদ্য ও পিঁপড়া মহাকাশে গেল।

চলতি মাসের শুরুতে নরথ্রপ গ্রাম্যানের একটি কার্গো যান মহাকাশে পাঠানো হয়। আপেল, টমেটো, কিউই, চিজ স্মরগাসবোর্ড ইত্যাদি খাবার দিয়ে ভর্তি করে পাঠানো হয়েছিল ওই কার্গো যান টি। বর্তমানে মহাকাশ স্টেশনে অবস্থানকারী ৭ জন নভোচারীর জন্যই পাঠানো হয়েছিল এসব জিনিস।

রবিবার (২৯ আগস্ট) ভোর হওয়ার আগেই মার্কিন গবেষণা সংস্থা নাসার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে মহাকাশে রওয়ানা হয়েছে ধনকুবের এলন মাস্কের সংস্থা ‘স্পেস-এক্স’ এর ‘ফ্যালকন’ রকেট। এতে দেওয়া হয়েছে আইসক্রিম, পাতিলেবু, চিংড়ি ও পিঁপড়াসহ বহু জিনিসপত্র।

ভূপৃষ্ঠের ৩৭০ কিলোমিটার উপরে পৃথিবীর কক্ষপথে থাকা আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে এসব জিনিসপত্র পৌঁছে দিতে রওয়ানা হয়েছে।
এর আগে গত শনিবার ‘স্পেস-এক্স’ এর ‘ফ্যালকন’ রকেট রওয়ানা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আবহাওয়া খারাপ হওয়ার কারণে তা স্থগিত হয়ে যায়।

স্পেস-এক্সের পক্ষ থেকে জানানো হয়, রবিবার ভোর হওয়ার আগেই ‘ড্রাগন’নামে ‘ফ্যালকন’রকেট রওয়ানা হয়। আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে নিত্যপণ্য ও পিঁপড়া সোমবার পৌঁছে যাওয়ার কথা রয়েছে। এক দশকে নাসার পাঠানো জিনিসপত্র পৌঁছে দিতে এ পর্যন্ত ২৩ বার মহাকাশ স্টেশনে গেল স্পেস-এক্স এর শক্তিশালী রকেট।

মহাকাশ স্টেশনে অবস্থান করা মহাকাশচারীদের জন্য আইসক্রিম, ফল আর নানা ধরনের খাবার পাঠানো হয়েছে। তবে এসকল নিত্য প্রয়োজনীয় খাবার ছাড়াও এবার মানুষ আকৃতি ‘রোবটিক আর্ম’ বা রোবট বাহু পাঠানো হয়েছে। এর কারন হলো, মহাকাশে ভরশূন্য অবস্থায় এটি কতটা কার্যকর হয়, তা বুঝতে চান বিজ্ঞানীরা। মহাকাশ স্টেশনে পাঠানো এই রোবোটিক আর্ম বানিয়েছে জাপানের একটি সংস্থা।

প্রায় সাড়ে ৪ দশক পর ২০২৪ সালে ‘আর্টেমিস’ অভিযানে মহাকাশচারীদের ফের চাঁদে নামাতে চলেছে নাসা। সেই অভিযানের বিভিন্ন পর্যায়ে এই রোবট বাহুর ব্যাপক ব্যবহার হবে। চাঁদে সভ্যতার একটি স্থায়ী বেস বা আস্তানা গড়ে তুলতে ও খনিজ সম্পদের সন্ধান ও সংগ্রহে এই রোবট বাহুটিকে ব্যবহার করা হবে বলে জানায় নাসা। মহাকাশ স্টেশনে ভরশূন্য অবস্থায় পরীক্ষানিরীক্ষা করতে বিভিন্ন ধরনের উদ্ভিদ, পিঁপড়া আর লবণাক্ত পানির চিংড়ি মাছ পাঠানো হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *