বাংলাদেশ: রবিবার ১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
৪ঠা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১২ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি

  বাংলাদেশ: রবিবার ১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১২ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি  

শেষ আপডেটঃ ১:৫২ পিএম

করোনাকালীন আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা

করোনার যাতাকলে পিষে যাচ্ছে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা। প্রায় দেড় বছর ধরে মহামারীর প্রকোপে বন্ধ আছে সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, থেমে আছে শিক্ষার্থীদের পড়াশুনা, অধরাই রয়ে গেছে স্বপ্নগুলো।

গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ। এর মাঝে দফায় দফায় বাড়ানো হয়েছে বন্ধের সময়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার কোনো সম্ভাবনা পাওয়া যায়নি সরকারি মহল থেকে। প্রায় দেড় বছর ধরে পড়াশোনা বন্ধ হয়ে আছে। সমস্ত শিক্ষার্থীর যা এদের ভবিষ্যতের উপর খুবই বাজে প্রভাব ফেলবে।

বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে সেশন জট বাড়বে। এইচএসসি, এসএসসি এসব গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা গুলোও আটকে আছে। চাকরির পরীক্ষা গুলোতেও বেশ অনিশ্চয়তা দেখা যাচ্ছে। এসব অবস্থা বিবেচনা করলে দেখা যায় করোনা খুবই ভয়াবহ প্রভাব ফেলেছে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনে। এছাড়া এর মধ্যে শিক্ষার্থীদের আত্মহত্যা প্রবনতাও অনেকটা বেড়ে গেছে।

যদিও একটি নির্দিষ্ট সময় পর অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে কিন্তু সেখানেও বাধা। অনলাইন ক্লাস করার মতো ডিজিটাল ডিভাইস সুযোগ সুবিধা সকল শিক্ষার্থীর নেই ফলে এ শিক্ষা কার্যক্রম থেকে বঞ্চিত হয়েছে অনেক শিক্ষার্থীই। আর তাছাড়াও অনলাইন ক্লাসকে খুব বেশি একটা গুরুত্বও দেয়নি বেশিরভাগ শিক্ষার্থী।

তবে আশার বাণী হচ্ছে শিক্ষার্থীদের মাঝে এখন ভ্যাক্সিন দেয়া শুরু হয়েছে এবং ভ্যাক্সিন কার্যক্রম শেষ হয়ে গেলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হতে পারে বলে আশ্বাস দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। তবে আজকে ১৬ আগষ্ট, ২০২১ তারিখে বেশ আশ্চর্যজনক ভাবে প্রতিবাদস্বরুপ একটি শিক্ষা কার্যক্রম চালানো হয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস রুম গুলো খুলে না দেয়া হলেও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আবদুল্লাহ্ আল মামুন আজকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার দাবি জানিয়ে গাছের নিচেই কয়েকজন শিক্ষার্থী সহ ক্লাস নিয়েছেন। যা দ্বারা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ নিয়ে বেশিরভাগ শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকদের ক্ষোভ অনেকটাই প্রকাশ পেয়েছে। এখন শুধুমাত্রই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার দিন গুনছে শিক্ষার্থীরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *