বাংলাদেশ: মঙ্গলবার ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
৬ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১৪ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি

  বাংলাদেশ: মঙ্গলবার ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৬ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১৪ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি  

শেষ আপডেটঃ ১:৫২ পিএম

করোনায় কুষ্টিয়ায় সর্বোচ্চ প্রাণহানি ১৭, শনাক্ত ৪৩২

লকডাউনেও থেমে নেই কুষ্টিয়ায় মৃত্যুর মিছিল। গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে আরও ১৭ জনের। এ সময় ১ হাজার ২২১ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৪৩২ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। জেলায় এটিই এখন পর্যন্ত একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু ও শনাক্ত। সোমবার (৫ জুলাই) রাতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় এসব তথ্য জানা যায়। কুষ্টিয়ায় করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে।

জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় করোনা শনাক্তের হার ৩৫ দশমিক ৩৮ শতাংশ। নতুন করে শনাক্ত হওয়া ৪৩২ জনের মধ্যে কুষ্টিয়া সদরের ১০৯ জন, দৌলতপুরের ৭৩ জন, কুমারখালীর ৭৮ জন, ভেড়ামারার ১০২ জন, মিরপুরের ৩৬ জন এবং খোকসার ৩৪ জন রয়েছেন। মারা যাওয়া ১৭ জনের মধ্যে ১৪ জনই সদর উপজেলার, দুজন কুমারখালীর ও একজন খোকসা উপজেলার বাসিন্দা।

বর্তমানে কুষ্টিয়ায় সক্রিয় করোনা রোগীর সংখ্যা ৩ হাজার ১০ জন। তাদের মধ্যে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন ২৬২ জন এবং হোম আইসোলেশনে আছেন ২ হাজার ৭৪৮ জন।

কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম একটি গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছেন, চলমান লকডাউন আগামী ৭ জুলাই মধ্যরাত পর্যন্ত চলবে।

এতে বলা হয়েছে, কুষ্টিয়ায় চলমান লকডাউন আগামী ৭ জুলাই মধ্যরাত পর্যন্ত চলবে। এ সময় ওষুধ, নিত্য প্রয়োজনীয় মুদি দোকান, কাঁচাবাজার ছাড়া বাকি সবধরনের দোকান, শপিংমল বন্ধ থাকবে।

সরকার ঘোষিত কঠোর লকডাউন কার্যকরে সারাদেশের মতো কুষ্টিয়ায় মাঠে নেমেছে প্রশাসন। র‌্যাব-পুলিশ, বিজিবি ও সেনাবাহিনীর তৎপরতা দেখা গেছে। শহরের বিভিন্ন এলাকায় জনসমাগম ঠেকাতে মাইকিং করে ঘরে থাকতে উদ্বুদ্ধ করছে প্রশাসন। এই লকডাউন বাস্তবায়নে ছয়টি উপজেলায় সেনাবাহিনী ও বিজিবি মোতায়েন আছে।

কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার মো. খাইরুল আলম বলেন, কঠোরভাবে লকডাউন বাস্তবায়ন করতে পুলিশ মাঠে তৎপর রয়েছে। জেলার বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশের চেকপোস্টে তল্লাশি করা হচ্ছে। সবার কাছ থেকে লকডাউন কার্যকর করতে সহযোগিতা পাচ্ছি।

কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম বলেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। মানুষকে সচেতন করতে মাঠে নেমে কাজ করা হচ্ছে। আমি নিজেও বিভিন্ন স্থানে ঘুরে মানুষের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টির চেষ্টা করেছি। এ ছাড়া বিধিনিষেধ প্রতিপালনে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে। তারা লকডাউন কার্যকর করতে পদক্ষেপ নিয়েছেন। বিধিনিষেধ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *