বাংলাদেশ: শনিবার ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
৩রা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১১ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি

  বাংলাদেশ: শনিবার ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৩রা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১১ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি  

শেষ আপডেটঃ ১১:৩০ পিএম

খেঁজুর পাতার ব্যবহার আর চোখে পড়ে না

সময়ের সাথে সাথে হারিয়ে যাচ্ছে বেশ কিছু পুরনো ঐতিহ্য যার মধ্যে খেঁজুর পাতার বাহারী ব্যাবহার একটি। খেজুর ফলে,খেজুরের রস, খেজুরের গুড় এসবের পাশাপাশি একসময় খেজুর পাতার ও ছিলো নানাবিধ ব্যবহার। কখনো শখ, কখনো বা জীবীকা ; উভয় ক্ষেত্রেই একটি বিশিষ্ট উপাদান ছিলো খেঁজুর পাতা।

যেমন:

১.খেজুর পাতা কুটির শিল্পের এক বিশেষ উপাদান।

২. খেঁজুর পাতা অনেকটা বড় আকৃতির এবং মজবুত হয় যার ফলে সহজেই একে বিভিন্ন ভাবে ভাজ করে হরেক রকম জিনিস তৈরি করা যায়।

৩.খেঁজুর পাতা দিয়ে তৈরি করা জিনিস গুলোর মধ্যে সবথেকে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে খেজুর পাতার শীতলপাটি। গ্রাম বাংলায় এর ব্যবহার একসময় ব্যাপক ভাবে লক্ষ করা যেতো।

৪.খেঁজুর পাতার পাটি বুনতো গ্রাম্য নারীরা অনেকে একসাথে বসে আর গল্প করতো এ চিত্র গ্রাম বাংলার চিরচেনা চিত্র গুলোর মধ্যে একটি।

৫.খেঁজুর পাতা দিয়ে পাটি, ফুল,হাতপাখা,ঝুড়ি,থলে,ছিকা আরও বিভিন্ন জিনিস তৈরি করে তা শহরে গ্রামে বিক্রি করে অনেকেই জীবীকা নির্বাহ করতো। বেশ চাহিদা ছিলো খেজুর পাতা দিয়ে তৈরি সামগ্রীর।

কালক্রমে মানুষ অনেক সুবিধাজনক সামগ্রী পেতে শুরু করে ফলে খেঁজুর পাতা দিয়ে তৈরি সামগ্রীর চাহিদা অনেক কমে গেছে। এখন আর আগের মতো বিকেল হলেই গ্রাম্য নারীদের মাঝে খেঁজুর পাতা নিয়ে বিভিন্ন জিনিস বুনতে বসার হুরোহুরি ও দেখা যায়। প্রযুক্তির উন্নয়নের সাথে সাথেই হারিয়ে যাচ্ছে অসাধারণ এক শিল্প এবং গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *