বাংলাদেশ: শনিবার ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
৩রা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১১ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি

  বাংলাদেশ: শনিবার ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৩রা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১১ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি  

শেষ আপডেটঃ ১১:৩০ পিএম

গদ্য ও পদ্য বলতে কি বুঝি

সাহিত্যের দুইটি গুরুত্বপূর্ণ ধারা হচ্ছে গদ্য ও পদ্য। গদ্য হচ্ছে মানুষের কথ্য ভাষার লেখ্য রুপ আর পদ্য হচ্ছে ভাবসম্পন্ন সরস রচনা। সহজ ভাষায় গদ্য মানে গল্প আর পদ্য মানে কবিতা।পদ্য হচ্ছে একটি সম্পূর্ণ এবং স্বয়ংসম্পূর্ণ লেখা যা একটি নির্দিষ্ট দৈর্ঘ্যের রেখায় নির্ধারিত হয় এবং এর প্রভাব অর্জনের জন্য ছন্দ ব্যবহার করা হয়। গদ্য হচ্ছে একটি ঘটনা বা ঘটনাগুলির ধারাবাহিক বর্ননা বা কাল্পনিক বিবরণ, অনুচ্ছেদে বা অন্যভাবে লেখা।

গদ্যের প্রাথমিক ব্যবহার হয় চিঠিপত্র লেখায়, দলিল-দস্তাবেজ প্রণয়নে এবং ধর্মীয় গ্রন্থাদি রচনায়। গদ্যের আদি নিদর্শন পাওয়া গেছে দশম শতকে চর্যাপদে। পর্তুগীজ ধর্মপ্রচারক মানোএল দা আস্সুম্পসাঁউ-এর রচনা রীতি বাংলা গদ্যের অন্যতম আদি নিদর্শন। এবং বাংলা সাহিত্যে গদ্যের ভিত্তি মজবুত হয়ে প্রথম চৌধুরীর অবদানে। গদ্যের মধ্যে বিভিন্ন বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে যেমন প্রবন্ধ, ছোট গল্প ইত্যাদি।

পদ্য হচ্ছে কবির মনের কথার ছন্দ সহ বা ছন্দ ছাড়া উপস্থাপন। কাঠামোর বিচারে কবিতা নানা রকম। যুগে যুগে কবিরা কবিতার বৈশিষ্ট্য ও কাঠামোতে পরিবর্তন এনেছেন। কবিতা শিল্পের মহত্তম শাখা পরিগণিত।বাংলা সাহিত্যে সাধারণত যেসব পদ্যের বেশি প্রচলন দেখা গেছে তা হচ্ছে – মহাকাব্য, চতুর্দশপদী, সনেট, অনু কবিতা ইত্যাদি।

গদ্য ও পদ্যের সংমিশ্রনে যা গঠিত হয় তা হচ্ছে গদ্য কবিতা। প্রকৃতির বাস্তবতার কাব্যিক ব্যঞ্জনার নাম গদ্য কবিতা। গদ্য কবিতা প্রাচীন যুগে স্কলারদের দ্বারা প্রথম লিখিত হয়। গদ্য কবিতা মুলত কবিতার মতো লেখনীতে বিস্তারিত ভাবে একটি গল্প বর্ণনা করা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *