বাংলাদেশ: মঙ্গলবার ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
৬ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১৪ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি

  বাংলাদেশ: মঙ্গলবার ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৬ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১৪ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি  

শেষ আপডেটঃ ১:৫২ পিএম

গর্ভপাতের পর নারীর খাদ্য তালিকা

গর্ভপাতের পর একজন নারী স্বাভাবিক ভাবেই অনেকটা দুর্বল হয়ে পড়ে। যেহেতু অ্যাবোরশন কালীন বেশ অনেকটা রক্তপাত হয় ফলে শারীরিক দুর্বলতা থাকেই আর তাছাড়াও সন্তান হারানোর পর মানসিক ভাবেও একজন নারী অনেক ভেঙে পড়ে। শরীরে রক্তের অভাব এবং জরায়ুর আস্তরন পুনরায় বৃদ্ধি পাওয়ার জন্য শরীরে অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োজন এবং এ শক্তি আসবে পুষ্টিকর খাদ্য থেকে। গর্ভপাতের পরে ভাল খাওয়ার গুরুত্বপূর্ণ আরেকটি কারণ হল এটি আপনাকে আরও ভাল বোধ করতে সহায়তা করবে। আমাদের মানসিক সুস্থতার ক্ষেত্রে খাদ্য আমাদের শারীরিক স্বাস্থ্যের মতোই শক্তিশালী হতে পারে। কিছু ভাল খাবার খাওয়া শরীরে শক্তির মাত্রা যখন আপনি শারীরিক এবং মানসিক উভয় ভাবেই ভালো অনুভব করবেন।

গর্ভপাত পরবর্তী খাদ্যতালিকা –

১.স্বাস্থ্যবিদদের মতে গর্ভপাতের পর ভারী খাবার না খাওয়াই ভালো। কারন এ সময়ে বেশ কয়েকদিন বমি অনুভব হতে পারে। তাই হালকা, তাজা এবং স্বাস্থ্যকর খাবার ই বেছে নিতে হবে।

২.গর্ভপাতের পর প্রচুর আয়রন সমৃদ্ধ খাদ্য গ্রহণ করা উচিত কারণ এটি আপনার শরীরকে গর্ভপাতের সময় হারানো রক্ত ​​পুনরুদ্ধারে সহায়তা করবে।আয়রন সমৃদ্ধ কিছু খাদ্য সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে মসুর ডাল, পালং শাক, এবং বাদামী চাল।

৩.এর পাশাপাশি, আপনার অ্যামিনো অ্যাসিডের উচ্চ পরিমাণে প্রয়োজন কারণ এটি আপনার শরীরকে আরও লোহিত রক্তকণিকা তৈরি করতে এবং শরীরের নতুন টিস্যু পুনর্গঠনে সহায়তা করবে।যেমন – দুধ, ডিম ইত্যাদি।

৪.এটি ছাড়াও, আপনাকে আপনার শক্তির মাত্রা পুনর্নির্মাণ করতে হবে, এবং তাই আপনাকে কার্বোহাইড্রেট খেতে হবে। কার্বোহাইড্রেট হিসেবে ভাট বা ওটস খাওয়া যেতে পারে।

৫.সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, আপনার ইমিউন সিস্টেম বাড়ানো দরকার, তাই আপনাকে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে। যেমন – লেবু, কমলা, আঙুর এছাড়াও যেকোনো ফল।

৬.গর্ভাবস্থায় ভ্রূনের শরীর গঠনের জন্য প্রচুর ক্যালসিয়াম ব্যাবহৃত হয় তাই যখন গর্ভপাত শরীর থেকে অনেক ক্যালসিয়াম নষ্ট হয়।

ফলে পুনরায় ক্যালসিয়ামের মাত্রা বৃদ্ধির জন্য যেসব খাদ্য গ্রহন করতে হবে –

১. সবুজ শাক সবজি
২.শুকনো ফল যেমন খেজুর, বাদাম
৩.সামুদ্রিক মাছ ইত্যাদি।

ওমেগা-3 সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করে আপনার শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমিয়ে আনতে হবে। এবং সবথেকে জরুরি আপনার শরীরের সঠিক ক্রিয়াকলাপের জন্য, আপনাকে সারাদিন হাইড্রেটেড রাখার জন্য প্রচুর পরিমাণে পানি পান করতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *