বাংলাদেশ: শনিবার ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
৩রা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১১ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি

  বাংলাদেশ: শনিবার ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৩রা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১১ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি  

শেষ আপডেটঃ ১১:৩০ পিএম

গর্ভপাত পরবর্তী সন্তান নেওয়ার সময় সতর্কতা

বেশিরভাগ মহিলারা যারা গর্ভপাত করে থাকেন বা অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভপাতের শিকার হন, কিন্তু ভবিষ্যতে সন্তান নিতে চান, তারা বেশিরভাগ সময়েই একটি দুশ্চিন্তায় ভুগে থাকেন যা হচ্ছে গর্ভপাতের কারনে পরবর্তীতে সন্তান নিতে কি কি সমস্যা হতে পারে।

বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই গর্ভপাত উর্বরতায় প্রভাব ফেলে না। এমনকি গর্ভপাত হওয়ার কয়েক সপ্তাহের মাঝেই পুনরায় গর্ভধারন করা সম্ভব।গর্ভপাত দুইভাবে করা যায় মেডিকেল অ্যাবোরশন এবং সার্জিক্যাল অ্যাবোরশন।

গর্ভপাতের কারনে পরবর্তী গর্ভধারনে কোন ঝুঁকি হবে কিনা তা অনেকক্ষেত্রেই নির্ভর করে গর্ভপাতের পদ্ধতির উপর। একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে মহিলারা প্রথম ত্রৈমাসিকের সময় অস্ত্রোপচারের গর্ভপাত করিয়েছিলেন তাদের পরবর্তী গর্ভাবস্থায় গর্ভপাতের ঝুঁকি বেশি ছিল।কিন্তু মেডিক্যাল অ্যাবোরশনে সেরকম কোনো ঝুঁকি দেখা যায়নি।

অ্যাবোরশনের পর সন্তান নেয়ার সঠিক সময় এবং সতর্কতা-

গর্ভপাতের পর চিকিৎসকরা সাধারণত এক থেকে দুই সপ্তাহ শারীরিক মিলন থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। গর্ভপাতের পর সাধারণ ভাবেই মাসিক চক্র শুরু হলে এক মাসের মধ্যেই গর্ভধারন করা সম্ভব হলেও অতীতে চিকিৎসক রা গর্ভপাতের পর কমপক্ষে ৩ মাস পর্যন্ত গর্ভধারনের চেষ্টা না করারই পরামর্শ দিতেন। কিন্তু বর্তমানে আর এ নিয়ম নেই। গর্ভপাতের পর একজন নারী শারীরিক ও মানসিক ভাবে প্রস্তুত থাকে যেকোনো সময়ই সন্তান নিতে পারেন। সঠিক উপায়ে গর্ভপাত করা হলে সাধারণত কোনো ইনফেকশন এবং অন্যান্য জটিলতা হওয়ার কোনো সম্ভাবনা ই থাকে না। তবে কিছু বিরল ক্ষেত্রে কিছু সমস্যা থেকে যায় ফলে পরবর্তীতে সন্তান নিতে অসুবিধা হতে পারে। সেক্ষেত্রে অবশ্যই প্রথম থেকেই নিয়মিত ভাবে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়েই এগোতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *