চলে গেলেন গায়িকা লিসা মেরি প্রিসলি

চলে গেলেন গায়িকা লিসা মেরি প্রিসলি
ছবি ইন্টারনেট থেকে নেওয়া।

জনপ্রিয় গায়িকা ও গীতিকার লিসা মেরি প্রিসলি মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৪ বছর। তিনি কিংবদন্তি গায়ক এলভিস প্রিসলির একমাত্র কন্যা ছিলেন। গতকাল বৃহস্পতিবার লস অ্যাঞ্জেলেসে নিজ বাড়িতে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই মারা যান তিনি। তার মা প্রিসিলা প্রিসলি তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, লিসা মেরি বাড়িতে অসুস্থ বোধ করলে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কয়েক ঘণ্টা পর হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন লিসা। তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত ছিলেন বলে জানা গেছে।

গত ১০ জানুয়ারি গোল্ডেন গ্লোব ২০২৩-এর অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এই গায়িকা। সেখান থেকে ফেরার পরেই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন বলে জানিয়েছে তার পরিবার।

লিসা মেরি প্রিসলি ছিলেন ‘রক অ্যান্ড রোল’ কিংবদন্তি এলভিস প্রিসলি এবং প্রিসিলা প্রিসলির একমাত্র সন্তান। এলভিস এবং প্রিসিলার বিয়ের ঠিক ৯ মাস পর টেনেসির মেমফিসে ১৯৬৮ সালে জন্মগ্রহণ করেন লিসা মেরি। ১৯৭৩ সালে লিসার বাবা-মায়ের বিবাহবিচ্ছেদের পর মাত্র চার বছর বয়সে মায়ের সঙ্গে লস অ্যাঞ্জেলেসে পাড়ি জমান লিসা এবং সেখানেই বেড়ে ওঠেন।

২০০০ সালের পরের দশকে নিজের অ্যালবাম প্রকাশ করেন লিসা। তবে সংগীতশিল্পে যোগদানের পর থেকে লিসা মেরি মাদকের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। এ ছাড়া ব্যক্তিগত জীবনে চারটি বিবাহের কারণে আলোচনায় ছিলেন তিনি। প্রয়াত গায়ক মাইকেল জ্যাকসন এবং অভিনেতা নিকোলাস কেজকে বিয়ে করেছিলেন এই গায়িকা। ১৯৯৪ সালে মাইকেল জ্যাকসনকে বিয়ে করেন লিসা। কিন্তু বিয়ের দুই বছর পর তাদের বিচ্ছেদ হয়। ২০০২ সালে অভিনেতা নিকোলাস কেজের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধেন তিনি। কিন্তু বিয়ের চার মাস পর বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন করেন লিসা।

দুই সন্তান অভিনেতা রিলি কিওফ, বেঞ্জামিন কিফ ও প্রাক্তন স্বামী ড্যানি কিফের সঙ্গে বসবাস করতেন লিসা। প্রাক্তন স্বামী মাইকেল লকউডের সঙ্গেও তার যমজ কন্যা রয়েছে।

লিসা মেরির মৃত্যুর খবর পাওয়ার পরই আমেরিকাজুড়ে ভক্ত-অনুরাগী ও সহকর্মী তারকারা শ্রদ্ধা জানাতে শুরু করেন। মার্কিন সংগীতাঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

সূত্র : পিপল ডটকম

এজেড নিউজ বিডি ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

চলে গেলেন গায়িকা লিসা মেরি প্রিসলি

চলে গেলেন গায়িকা লিসা মেরি প্রিসলি
ছবি ইন্টারনেট থেকে নেওয়া।

জনপ্রিয় গায়িকা ও গীতিকার লিসা মেরি প্রিসলি মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৪ বছর। তিনি কিংবদন্তি গায়ক এলভিস প্রিসলির একমাত্র কন্যা ছিলেন। গতকাল বৃহস্পতিবার লস অ্যাঞ্জেলেসে নিজ বাড়িতে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই মারা যান তিনি। তার মা প্রিসিলা প্রিসলি তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, লিসা মেরি বাড়িতে অসুস্থ বোধ করলে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কয়েক ঘণ্টা পর হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন লিসা। তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত ছিলেন বলে জানা গেছে।

গত ১০ জানুয়ারি গোল্ডেন গ্লোব ২০২৩-এর অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এই গায়িকা। সেখান থেকে ফেরার পরেই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন বলে জানিয়েছে তার পরিবার।

লিসা মেরি প্রিসলি ছিলেন ‘রক অ্যান্ড রোল’ কিংবদন্তি এলভিস প্রিসলি এবং প্রিসিলা প্রিসলির একমাত্র সন্তান। এলভিস এবং প্রিসিলার বিয়ের ঠিক ৯ মাস পর টেনেসির মেমফিসে ১৯৬৮ সালে জন্মগ্রহণ করেন লিসা মেরি। ১৯৭৩ সালে লিসার বাবা-মায়ের বিবাহবিচ্ছেদের পর মাত্র চার বছর বয়সে মায়ের সঙ্গে লস অ্যাঞ্জেলেসে পাড়ি জমান লিসা এবং সেখানেই বেড়ে ওঠেন।

২০০০ সালের পরের দশকে নিজের অ্যালবাম প্রকাশ করেন লিসা। তবে সংগীতশিল্পে যোগদানের পর থেকে লিসা মেরি মাদকের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। এ ছাড়া ব্যক্তিগত জীবনে চারটি বিবাহের কারণে আলোচনায় ছিলেন তিনি। প্রয়াত গায়ক মাইকেল জ্যাকসন এবং অভিনেতা নিকোলাস কেজকে বিয়ে করেছিলেন এই গায়িকা। ১৯৯৪ সালে মাইকেল জ্যাকসনকে বিয়ে করেন লিসা। কিন্তু বিয়ের দুই বছর পর তাদের বিচ্ছেদ হয়। ২০০২ সালে অভিনেতা নিকোলাস কেজের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধেন তিনি। কিন্তু বিয়ের চার মাস পর বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন করেন লিসা।

দুই সন্তান অভিনেতা রিলি কিওফ, বেঞ্জামিন কিফ ও প্রাক্তন স্বামী ড্যানি কিফের সঙ্গে বসবাস করতেন লিসা। প্রাক্তন স্বামী মাইকেল লকউডের সঙ্গেও তার যমজ কন্যা রয়েছে।

লিসা মেরির মৃত্যুর খবর পাওয়ার পরই আমেরিকাজুড়ে ভক্ত-অনুরাগী ও সহকর্মী তারকারা শ্রদ্ধা জানাতে শুরু করেন। মার্কিন সংগীতাঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

সূত্র : পিপল ডটকম

এজেড নিউজ বিডি ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Download