জন্মদিনে বিরল হীরা খুঁজে পেল শিশু!

বিনোদন ডেস্ক এজেড নিউজ বিডি, ঢাকা
জন্মদিনে বিরল হীরা খুঁজে পেল শিশু!

চলতি মাসে সপ্তম জন্মদিন উদযাপনের সময় আমেরিকার আরকানসাস স্টেট পার্কে দুই দশমিক ৯৫ ক্যারেটের স্বর্ণের বাদামি রংয়ের একটি হীরা খুঁজে পেয়েছে এক শিশু।

আরকানসাস স্টেট পার্ক জানিয়েছে, বাবা ও দাদির সঙ্গে ১ সেপ্টেম্বর জন্মদিন উদযাপনের জন্য ক্রেটার অব ডায়মন্ডস স্টেট পার্কে ভ্রমণের সময় বিরল ও মূল্যবান এই হীরাটি খুঁজে পায় অ্যাস্পেন ব্রাউন নামের ওই শিশু।

নিউইয়র্ক পোস্ট জানিয়েছে, শিশুটি একটি প্রাচীন, হীরা-বহনকারী আগ্নেয়গিরির ক্ষয়প্রাপ্ত পৃষ্ঠের উপর বড় পাথরের স্তূপের কাছে বিশ্রাম নিচ্ছিল, ঠিক তখনই চকচকে কিছু তার নজরে পড়ে।

এরপর সে তার বাবার কাছে ছুটে এসে বলে, ‘বাবা! বাবা! আমি একটা কিছু খুঁজে পেয়েছি’।

শিশুটির বাবা লুথার ব্রাউন বলেন, অ্যাস্পেনের পাওয়া হীরাটি পার্কের ডায়মন্ড ডিসকভারি সেন্টারে নেওয়া হয়। যেখানে তারা নিশ্চিত করে যে, জন্মদিনে মেয়েটি সত্যিই একটি বিশাল হীরা খুঁজে পেয়েছে।

আমেরিকার জেমোলজিক্যাল ইনস্টিটিউটের একজন গবেষণা বিজ্ঞানী অ্যারন পাল্কে বলেন, ৩৭ দশমিক ৫ একর হীরা অনুসন্ধান এলাকায় এত বড় রত্ন পাওয়া ‘অসাধারণভাবে বিরল’ আবিষ্কার।

এখানে বেশিরভাগ খননকারী শুধুমাত্র পার্কজুড়ে দশমিক ৫ ও দশকি ২০ ক্যারেটের মধ্যে হীরা খুঁজে পান। যা মোটামুটি একটি ধানের দানার আকার৷

‘আরকানসাসে এমন একটি হীরা খুঁজে পাওয়া খুবই অস্বাভাবিক,’ বলেন পাল্কে।

ওয়েমন কক্সের সহকারী পার্ক সুপারিনটেনডেন্ট বলেন, ‘অ্যাস্পেনের হীরার একটি সোনালি-বাদামি রঙ ও একটি ঝকঝকে দীপ্তি রয়েছে। এটি একটি সম্পূর্ণ স্ফটিক, যার কোনো ভাঙা দিক নেই এবং একপাশে একটি ছোট ফাটল নেই। এটি অবশ্যই সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আমার দেখা সবচেয়ে সুন্দর হীরাগুলোর মধ্যে একটি।

তবে বিরল হীরাটির মূল্য কত তা গোপন রাখা রয়েছে। নিজের জন্মদিনকে স্মরণীয় করে রাখতে অ্যাস্পেন নিজের নামে হীরাটির নাম রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

‘অ্যাস্পেন ডায়মন্ড’ এ বছর হীরাসমৃদ্ধ স্টেট পার্কে পাওয়া দ্বিতীয় বৃহত্তম। এর আগে মার্চ মাসে তিন দশমিক ২৯ ক্যারেটের একটি বাদামি হীরা পাওয়া গিয়েছিল।

এজেড নিউজ বিডি ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

জন্মদিনে বিরল হীরা খুঁজে পেল শিশু!

জন্মদিনে বিরল হীরা খুঁজে পেল শিশু!

চলতি মাসে সপ্তম জন্মদিন উদযাপনের সময় আমেরিকার আরকানসাস স্টেট পার্কে দুই দশমিক ৯৫ ক্যারেটের স্বর্ণের বাদামি রংয়ের একটি হীরা খুঁজে পেয়েছে এক শিশু।

আরকানসাস স্টেট পার্ক জানিয়েছে, বাবা ও দাদির সঙ্গে ১ সেপ্টেম্বর জন্মদিন উদযাপনের জন্য ক্রেটার অব ডায়মন্ডস স্টেট পার্কে ভ্রমণের সময় বিরল ও মূল্যবান এই হীরাটি খুঁজে পায় অ্যাস্পেন ব্রাউন নামের ওই শিশু।

নিউইয়র্ক পোস্ট জানিয়েছে, শিশুটি একটি প্রাচীন, হীরা-বহনকারী আগ্নেয়গিরির ক্ষয়প্রাপ্ত পৃষ্ঠের উপর বড় পাথরের স্তূপের কাছে বিশ্রাম নিচ্ছিল, ঠিক তখনই চকচকে কিছু তার নজরে পড়ে।

এরপর সে তার বাবার কাছে ছুটে এসে বলে, ‘বাবা! বাবা! আমি একটা কিছু খুঁজে পেয়েছি’।

শিশুটির বাবা লুথার ব্রাউন বলেন, অ্যাস্পেনের পাওয়া হীরাটি পার্কের ডায়মন্ড ডিসকভারি সেন্টারে নেওয়া হয়। যেখানে তারা নিশ্চিত করে যে, জন্মদিনে মেয়েটি সত্যিই একটি বিশাল হীরা খুঁজে পেয়েছে।

আমেরিকার জেমোলজিক্যাল ইনস্টিটিউটের একজন গবেষণা বিজ্ঞানী অ্যারন পাল্কে বলেন, ৩৭ দশমিক ৫ একর হীরা অনুসন্ধান এলাকায় এত বড় রত্ন পাওয়া ‘অসাধারণভাবে বিরল’ আবিষ্কার।

এখানে বেশিরভাগ খননকারী শুধুমাত্র পার্কজুড়ে দশমিক ৫ ও দশকি ২০ ক্যারেটের মধ্যে হীরা খুঁজে পান। যা মোটামুটি একটি ধানের দানার আকার৷

‘আরকানসাসে এমন একটি হীরা খুঁজে পাওয়া খুবই অস্বাভাবিক,’ বলেন পাল্কে।

ওয়েমন কক্সের সহকারী পার্ক সুপারিনটেনডেন্ট বলেন, ‘অ্যাস্পেনের হীরার একটি সোনালি-বাদামি রঙ ও একটি ঝকঝকে দীপ্তি রয়েছে। এটি একটি সম্পূর্ণ স্ফটিক, যার কোনো ভাঙা দিক নেই এবং একপাশে একটি ছোট ফাটল নেই। এটি অবশ্যই সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আমার দেখা সবচেয়ে সুন্দর হীরাগুলোর মধ্যে একটি।

তবে বিরল হীরাটির মূল্য কত তা গোপন রাখা রয়েছে। নিজের জন্মদিনকে স্মরণীয় করে রাখতে অ্যাস্পেন নিজের নামে হীরাটির নাম রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

‘অ্যাস্পেন ডায়মন্ড’ এ বছর হীরাসমৃদ্ধ স্টেট পার্কে পাওয়া দ্বিতীয় বৃহত্তম। এর আগে মার্চ মাসে তিন দশমিক ২৯ ক্যারেটের একটি বাদামি হীরা পাওয়া গিয়েছিল।

এজেড নিউজ বিডি ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Download
ঠিকানা: ১৮/৩, ব্লক-এফ, রিং রোড, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭ এজেড মাল্টিমিডিয়া লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান। লাইসেন্স নং : TRAD/DNCC/154868/2022