বাংলাদেশ: রবিবার ১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
৪ঠা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১২ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি

  বাংলাদেশ: রবিবার ১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১২ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি  

শেষ আপডেটঃ ১:৫২ পিএম

জন্ম‌ নিয়ন্ত্রণের ইন‌জেকশন কতটা ঝুঁকিপূর্ন

গর্ভনিরোধক ইনজেকশন রক্তে প্রোজেস্টোজেন হরমোনের মাত্রা বাড়িয়ে গর্ভাবস্থা রোধ করে থাকে।এটা সাধারণত ১৩ দিন থেকে ৮ সপ্তাহ পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। অথার্ৎ ইনজেকশন নিলে ১৩-৯২ দিনের মধ্যে গর্ভধারন করার কোনো চান্স থাকেনা। এই ইনজেকশন ৯৯% ই কাজ করে যদি সঠিক উপায়ে ইনজেকশন দেয়া হয়। যেসকল নারীরা জন্ম নিয়ন্ত্রন পিল খেতে চায় না বিভিন্ন কারনে তাদের জন্য এ ইনজেকশন একটি বিকল্প ও সুবিধাজনক পদ্ধতি।

গর্ভনিরোধক ইনজেকশন ক্রমাগত রক্ত ​​প্রবাহে প্রোজেস্টোজেন হরমোন নিঃসরণ করে, যা প্রতি মাসে ডিম্বস্ফোটন রোধ করে। এটি সার্ভিকাল মিউকাসকেও ঘন করে, যা শুক্রাণুর জরায়ুর মধ্য দিয়ে চলাফেরা করা কঠিন করে তোলে এবং গর্ভের আস্তরণ পাতলা করে তাই একটি নিষিক্ত ডিম্বানু নিজেই ইমপ্লান্ট করার সম্ভাবনা কম থাকে। মাসিক চক্রের যেকোনো সময় এ ইনজেকশন নেয়া যেতে পারে।

এই ইনজেকশনের বেশ কিছু সুবিধা যেমন আছে তেমনি অসুবিধা ও আছে। কিছু ক্ষেত্রে এই ইনজেকশনি ক্ষানিকটা ঝুঁকিপূর্ন হতে পারে।
জন্মনিরোধক ইনজেকশনের সুবিধা :

এটি যৌনতায় বাধা দেয় না।

ইস্ট্রোজেন ভিত্তিক পিল গ্রহন না করলে চাইলে এই ইনজেকশন একটি ভালো বিকল্প।

অনেকক্ষেত্রে পিল নেয়ার কথা মনে না থাকতে পারে সেক্ষেত্রে ইনজেকশন নিলে আর ভয় থাকেনা।

ইনজেকশন নিয়ে সন্তানকে বুকের দুধ খাওয়ালেও কোনো সমস্যা হয়না।

এটি পিরিয়ড পেইন কমাতেও অনেকটা ভূমিকা রাখে।
জন্মনিরোধক ইনজেকশনের অসুবিধাগুলো :

ইনজেকশনের মেয়াদ যতদিন থাকবে ততদিন পিরিয়ড অনিয়ম হতে পারে আবার বন্ধও হয়ে যেতে পারে।

এটি এসটিআই অর্থাৎ যৌন রোগ গুলো থেকে রক্ষা করেনা।

ইনজেকশন ব্যাবহারে অনেকেরই ওজন বেড়ে যায়।

মাথাব্যাথা, ব্রন, চুল পড়া বেড়ে যাওয়া এসব সাইড ইফেক্ট দেখা দিতে পারে।

জন্মনিরোধক ইনজেকশন বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই নিরাপদ। কিন্তু অনেকসময় কারোর এলার্জিক প্রতিক্রিয়া বেশি থাকলে সেক্ষেত্রে ইনজেকশন গ্রহনে সমস্যা হতে পারে। এছাড়াও দীর্ঘ সময়ের জন্য এটি নিলে হাড্ডি ক্ষয় হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *