বাংলাদেশ: শনিবার ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
৩রা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১১ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি

  বাংলাদেশ: শনিবার ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৩রা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১১ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি  

শেষ আপডেটঃ ১১:৩০ পিএম

টাকা তৈরি হয় যে ভাবে

টাকা জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ তাই টাকা কিভাবে তৈরি হয় এ নিয়ে মানুষের মধ্যে প্রচুর কৌতুহল থাকে। অনেকে আবার ভাবে টাকা তৈরির প্রক্রিয়া জেনে ফেললে নিজেই অনেক টাকা তৈরি করে রাতারাতি ধনী হয়ে যাবে।

এখনকার যে টাকা অর্থাৎ কাগজের নোট তার প্রথম প্রচলন হয়েছিলো চীনে;”তাং ডাইনেস্টির “সময়কালে। তারা প্রায় ৩০০ বছরের ও বেশি সময় শাসন করেছিলো এবং কাগজের মুদ্রাই তারা ব্যাবহার করতো এখান থেকেই সময়ের বিবর্তনে বিশ্বজুড়ে কাগজের নোট ব্যবহারের প্রচলন ঘটে।

টাকা তৈরির প্রক্রিয়া প্রায় সব দেশেই মোটামুটি একরকম। এবং এতে বেশ কিছু উপাদান থাকে যা দেখে সহজেই আসল টাকা ও নকল টাকার মধ্যে পরিবর্তন নিশ্চিত করা যায়।

বাংলাদেশের যে স্থানে টাকা ছাপানো হয় তার নাম হচ্ছে “সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশন (বাংলাদেশ) লিমিটেড। তবে সাধারণ ভাবে একে “টাঁকশাল” বলা হয়। টাঁকশাল গাজীপুরে অবস্থিত। এখানেই সকল টাকা ছাপানো হয় এবং পরে এই কাগুজে টাকা বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক-“বাংলাদেশ ব্যাংক” কর্তৃক প্রবর্তিত হয়।

বাংলাদেশের টাকা ছাপানো হয় যে বিশেষ কাগজ দিয়ে তা আসে সুইজারল্যান্ড থেকে। যা মুলত তুলার তৈরি কাগজ এবং যার ওজন প্রতি বর্গমিটারে প্রায় ৮০-৯০ গ্রাম। সাধারণত এ কাগজ ২ বছর পর্যন্ত স্থায়ী হয় তবে বেশ কিছু উপাদান যুক্ত করে এর স্থায়ীত্ব বাড়ানো হয়।

এরপরে টাকা তৈরির বিশেষ এক মেশিনের মাধ্যমে সকল টাকা ছাপানো হয়। এবং এর মাঝে বেশ কিছু সূক্ষ তন্ত ব্যবহার করা যা দ্বারা অনেকগুলো উপায়ে জাল নোট ও আসল নোট আলাদা করা যায়। যেমন – আসল নোট আলোর দিকে রাখলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি দৃশ্যমান হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *