বাংলাদেশ: শনিবার ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
৩রা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১১ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি

  বাংলাদেশ: শনিবার ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৩রা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১১ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি  

শেষ আপডেটঃ ১১:৩০ পিএম

তাইওয়ানের জানা-অজানা

সাধারণত প্রজাতন্ত্রী চীন শাসিত এলাকা বোঝাতেও তাইওয়ান ব্যবহৃত হয়। প্রজাতন্ত্রী চীন প্রশান্ত মহাসাগরের তাইওয়ান দ্বীপ, অর্কিড আইল্যান্ড, শাসন করে থাকে। এছাড়া তাইওয়ান ও ফেংহু দ্বীপপুঞ্জগুলো প্রজাতন্ত্রী চীনের তাইওয়ান প্রদেশ হিসেবে প্রশাসিত হয়। ১৯৬০ দশকের শুরু থেকে তাইওয়ান দ্রুত অর্থনৈতিক বৃদ্ধি ও শিল্পায়ন করতে থাকে যা ‘তাইওয়ান মিরাকেল’ নামে পরিচিত। তাইওয়ান একটি উন্নত দেশ। রাজনীতি, মানবাধিকার, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও মানব উন্নয়ন বিষয়ে অত্যন্ত উন্নত।

তাইওয়ান দ্বীপটি বিভিন্ন নাম প্রচলিত আছে, যার প্রত্যেকটি কোনো ঐতিহাসিক অভিযাত্রী বা শাসকের নাম থেকে নেওয়া। ফরমোসা নামটি ১৫৪২ এর দিকে যখন পর্তুগিজ নাবিক একটা অচেনা দ্বীপ দেখেছিলো এবং ইলহা ফরমোসা(সুন্দর দ্বীপ) নামে মানচিত্রে লিখেছিল। ইউরোপীয় সাহিত্যে এই নামটা পরবর্তীতে অন্য সব নাম থেকে অধিক জনপ্রিয় হয় এবং ইংরেজভাষীদের মধ্যে এই নামটি বিংশ শতাব্দী পর্যন্ত ব্যবহৃত হতে থাকে।

তাইওয়ানের দক্ষিণ-পশ্চিম কিছু সময় তুংগিং রাজ্য দ্বারা শাসনের পরে ১৬৮৩ সালে চীনের কিংগ রাজবংশ দখল করে নেয়। যা জাপান রাজ্যের কাছে ১৮৯৫ সালে সমর্পন করে। ১৯৪৫-এ জাপানের সমর্পনের পরে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মিত্রদের পক্ষ থেকে তাইওয়ানের দখল নেয় চীন প্রজাতন্ত্র। চীন গৃহযুদ্ধের কারণে চীন প্রজাতন্ত্র চীনের মূল ভূ-খন্ড চীনের কমিউনিস্ট পার্টির কাছে হারায় ও ১৯৪৯-এ তাইওয়ানে পালিয়ে যায়। ১৯৫০ থেকেই তাদের আসল আইনগত এলাকা তাইওয়ান ও এর কাছাকাছি ছোট দ্বীপের কাছাকাছি সীমাবদ্ধ হয়।

সপ্তদশ শতকের শুরুর দিকে ডাচ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি পজিল্যান্ডিয়া দুর্গের সৈকতের বালুতে ‘তায়ুয়ান’ নামে একটা বাণিজ্যিক কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করে। নামটি কাছাকাছি এক তাইওয়ানীয় আদিবাসীদের নাম, সম্ভবত তায়োভান মানুষ, থেকে উদ্ভূত। ওলন্দাজ ও পর্তুগীজ লেখকরা বিভিন্ন সময় তাদের নাম তায়োওয়াংগ, তায়োওয়ান, তেইজোয়ান, ইত্যাদি বলে আখ্যায়িত করেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *