বাংলাদেশ: রবিবার ১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
৪ঠা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১২ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি

  বাংলাদেশ: রবিবার ১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১২ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি  

শেষ আপডেটঃ ১:৫২ পিএম

তিমি মাছের অজানা তথ্য

তিমি সিটাসিয়া বর্গভুক্ত জলজ স্তন্যপায়ী যারা ডলফিন ও শুশুক কোনটাই নয়। যদিও তিমিকে প্রায়ই তিমি মাছ বলা হয়, এরা কিন্তু মোটেও মাছ নয়, বরং মানুষের মতই স্তন্যপায়ী প্রাণী। মাছেদের শ্বাস নেওয়ার জন্য ফুলকা থাকে, কিন্তু তিমির শ্বাস নেওয়ার জন্য থাকে ফুসফুস, এজন্যও তিমিকে মাছ ধরা হয় না।

তিমি সম্পর্কে অজানা তথ্য:

একঘণ্টা শ্বাসপ্রশ্বাস বন্ধ করে থাকতে পারে তিমি। এতক্ষণ ধরে তিমির মতো শ্বাস বন্ধ রাখাটা অন্য কোনো প্রাণীর পক্ষে সম্ভব নয় ৷

তিমিরা পরষ্পরের সাথে এক ধরনের সুরেলা শব্দ করে যোগাযোগ করে, যা তিমির গান নামে পরিচিত। শব্দ যোগাযোগ ব্যবহার করে, যা বহু মাইল দূর থেকেও শুনতে পাওয়া যায়।

পূর্ণবয়স্ক একটি নীল তিমি 82 থেকে 105 ফুট পর্যন্ত বড় হতে পারে। তিনটি বড় স্কুলবাস সারিবদ্ধভাবে রাখলে একটা নীল তিমির সমান হবে। একটা বাস্কেটবলের কোর্টের মাপ হয় 90 ফুট, সেই হিসাবে একটা নীল তিমি বাস্কেটবল কোর্টের ওপর রাখলে বাস্কেটবলের কোর্টটাই ঢাকা পড়ে যাবে সেটার নিচে।

একটা নীল তিমির ওজন 181 মেট্রিক টন পর্যন্ত হতে পারে, এক মেট্রিক টন হলো 1000 কেজির সমান। এদের কোনো দাঁত থাকে না। তার বদলে থাকে ব্যালিন, যা তিমির ওপরের চোয়াল থেকে নিচের দিকে ঝুলে থাকে ঝালরের মতো। এই ব্যালিনকে ছাঁকনিও বলা যায়।

নীল তিমি মোটেই নীল নয়, পানির নিচে থাকলে এটাকে দেখতে নীল মনে হয়। এটার আসল রং অনেকটা ফ্যাকাশে। একটি তিমি দিনে প্রায় তিন থেকে চার হাজার কেজি ছোট চিংড়ি জাতীয় ক্রিল খায়। নীল তিমি গড়ে 80 থেকে 90 বছর বেঁচে থাকে। সবচেয়ে বেশি দিন বেঁচে থাকা নীল তিমিটার বয়স ছিল 110 বছর।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *