বাংলাদেশ: শনিবার ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
৩রা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১১ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি

  বাংলাদেশ: শনিবার ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৩রা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১১ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি  

শেষ আপডেটঃ ১১:৩০ পিএম

ফুড পয়জনিং এর লক্ষণ ও ঘরোয়া চিকিৎসা

ফুড পয়জনিং বা খাদ্য বিষক্রিয়া একটি সাধারণ রোগ। খাবার থেকে যে অসুস্থতার সৃষ্টি হয় তাকে ফুড পয়জনিং বা খাদ্য বিষক্রিয়া বলে। যখন কেউ দূষিত, নষ্ট বা বিষাক্ত খাবার খায়, যা ব্যাকটিরিয়া, ভাইরাস এবং পরজীবী দ্বারা সংক্রামিত তখন ফুড পয়জনিং হয়ে থাকে।খাদ্যে বিষক্রিয়া সাধারণত মারাত্মক হয় না। যাদের মাঝে এই রোগটি দেখা দেয় তারা বেশিরভাগই এক সপ্তাহের মধ্যে ভাল হয়ে যায়। ফুড পয়জনিং এ কেউ আক্রান্ত হলে চিকিৎসা সাধারণত বাড়িতেই করা যায়। হোক সে প্রাপ্ত বয়স্ক বা শিশু। তবে যদি ঘরোয়া চিকিৎসায় ১ সপ্তাহের বেশিও আপনাকে এটা ভুগিয়ে থাকে তবে অবশ্যই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

জেনে নিন চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ফুড পয়জনিং এর কিছু লক্ষণ ও ঘরোয়া চিকিৎসা___

১.বমি বমি ভাব বা বমি, পাতলা পায়খানা(ডায়রিয়া) :
পেট কামড়ানো, শরীরের তাপমাত্রা ৩৮° সেলসিয়াস বা তার বেশি অসুস্থ বোধ করা, যেমন ক্লান্ত লাগা, শরীরে ব্যথা অনুভব করা, গায়ে কাঁপুনি ওঠা, ইত্যাদি ফুড পয়জনিং এর লক্ষণ। যে খাবারের কারণে বিষক্রিয়া ঘটেছে, সেই খাবার খাওয়ার কয়েকদিনের মধ্যেই সাধারণত লক্ষণগুলো দেখা দেয়। তবে এর ব্যতিক্রম ও ঘটতে পারে। যেমন কিছু কিছু ক্ষেত্রে লক্ষণগুলো কয়েক ঘণ্টার মধ্যে শুরু হয়, আবার কিছু ক্ষেত্রে কয়েক সপ্তাহ লেগে যায়।

২.ঘরোয়া চিকিৎসা:
ফুড পয়জনিং এর চিকিৎসা বাড়িতেই করা যেতে পারে এবং এটি সাধারণত তিন থেকে পাঁচ দিনের মধ্যে সমাধান হয়। নিজেকে সারাক্ষণ হাইড্রেটেড রাখুন। শরীরে তরলের ভারসাম্য বজায় রাখতে ইলেক্ট্রোলাইট জল পান করুন। লিস্টেরিয়া ব্যাকটেরিয়ামের কারণে খাদ্য বিষক্রিয়ায় হাসপাতালে ভর্তির থাকলে ইন্ট্রাভেনাস অ্যান্টিবায়োটিক দ্বারা চিকিৎসা প্রয়োজন। চিকিৎসকরা কিছু রোগীর ক্ষেত্রে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করেন। রোগীর অবস্থা খুব জটিল হলে চিকিৎসকরা শিরার মাধ্যমে স্যালাইন দিয়ে চিকিৎসা করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *