বাংলাদেশ: রবিবার ১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
৪ঠা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১২ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি

  বাংলাদেশ: রবিবার ১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১২ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি  

শেষ আপডেটঃ ১:৫২ পিএম

বাংলাদেশের চামড়া শিল্প হুমকির মুখে

বাংলাদেশের রপ্তানি বানিজ্যে চামড়া শিল্পের বেশ বড় অবদান রয়েছে। তবে আগে চামড়া শিল্প থেকে যতটা বৈদিশিক মুদ্রা আসতো এখন তার পরিমাণ অনেকটাই কম। বিভিন্ন কারনে চামড়া শিল্পের অভ্যন্তরীণ বাজার ও রপ্তানি খাত দুটোই এখন হুমকির মুখে। বাংলাদেশে চামড়া শিল্পের যাত্রা শুরু হয় প্রথম চল্লিশের দশকে। ১৯৪০ সালে একজন ব্যাবসায়ী রনদা প্রসাদের হাত ধরেই প্রথম নারায়নগঞ্জে ট্যানারি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং সে থেকেই চামড়া শিল্পের ব্যাপক অগ্রগতি শুরু হয় যা বাংলাদেশের রপ্তানি খাতকে অন্য এক ধাপে নিয়ে গেছে।

ধীরে ধীরে এ দেশে ট্যানারির সংখ্যা বাড়তে থাকে এবং একই সাথে বিভিন্ন চামড়াজাত পন্যের পরিচিতি ও প্রসার বৃদ্ধি পেতে থাকে বাইরের দেশগুলো এই চামড়াপন্যের প্রতি আগ্রহ দেখাতে শুরু করে এবং প্রতিবছর পন্য রপ্তানি একটি বড় অংশ এই চামড়াজাত পন্য থেকেই আসতো।

প্রথমদিকে খুব উচ্চ অবস্থানে থাকলেও এখন এই সম্ভাবনাময় শিল্পে ভাটা দেখা দিচ্ছে। এর পেছনে বেশ অনেকগুলো কারন আছে। পরিকল্পনার অভাব, ট্যানারি মালিকদের উদাসীনতা, ঋন নেয়ার ব্যাপারে সুযোগ সুবিধার ঘাটতি, চামড়ার মূল্য বৃদ্ধি,চামড়ার গুণগত মাস হ্রাস পাওয়া,সঠিক উপায়ে চামড়া না ছাড়ানো ইত্যাদি।

বাৎসরিক চামড়ার অর্ধেকের ও বেশি যোগান আসে ইদুল আযহা থেকে। কিন্তু সেখানেও দেখা যায় ব্যাবসায়ীরা এ চামড়া সঠিক ভাবে সংরক্ষন করে ফলে অনেক সময় চামড়া পচে যায় আর না পচলেও গুনগত মান হ্রাস পায় ফলে বৈদিশিক বাজারে এই চামড়াজাত পন্য ও বেশি মুল্য পায়না। এছাড়াও বাংলাদেশের চামড়া রপ্তানি বেশিই হয় চীন, জাপান ও মধ্য ইউরোপীয়ান দেশ গুলোতে ফলে ২০১৯ সালে যখন চীনে প্রথম করোনা মহামারী দেখা দেয় তখন চীন প্রক্রিয়াজাত চামড়ার চুক্তি বাতিল করে যার ফলে চামড়া শিল্প অতি সংকটে পতিত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *