বাংলাদেশ: রবিবার ১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
৪ঠা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১২ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি

  বাংলাদেশ: রবিবার ১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১২ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি  

শেষ আপডেটঃ ১:৫২ পিএম

বারমুডা অজানা রহস্য

প্রকৃতি রহস্যময়। এর প্রমাণ আমরা বার বার পাই। কিছু রহস্যের সমাধান হলেও কিছু রহস্যের হয়না, বারমুডা ট্রায়াংগেল রহস্য তার মধ্যে একটি। বারমুডা ট্রায়াংগেল এই বিশেষ জায়গাটি নিয়ে রহস্যের জন্ম এবং গবেষণার আগ্রহ শুরু হয় প্রায় ৫৬ বছর আছে থেকেই।১৯৬৪ সালে ফ্লোরিডা উপকূলে আটলান্টিক মহাসাগরে একটি ত্রিভুজের আকার বর্ণনা করতে আমেরিকান লেখক ভিনসেন্ট গ্যাডিস প্রথম আর্গোসি ম্যাগাজিনে এই নামটি ব্যবহার করেছিলেন।অনেকসময় আবার একে “ডেভিলস ট্রায়াংগেল” বা “শয়তানের ত্রিভুজ ” নামেও আখ্যায়িত করা হয়েছে, যার মুল কারন ছিলো একে ঘিরে বেশ কিছু রহস্যময় দুর্ঘটনা।

১৯৪৫ সালে, মার্কিন নৌবাহিনীর পাঁচটি বিমান এবং ১৪ জন পুরুষ নিয়মিত প্রশিক্ষণ অনুশীলন করার সময় এই এলাকায় অদৃশ্য হয়ে যায়। ফ্লাইটের লিডার লেফটেন্যান্ট চার্লস টেলরকে রেডিওতে বলতে শোনা গিয়েছিলো : “আমরা সাদা পানিতে প্রবেশ করছি, কিছুই ঠিক মনে হচ্ছে না। আমরা জানি না আমরা কোথায়, পানি সবুজ, সাদা নেই”। এরপর মার্কিন নৌবাহিনী এ ঘটনাটি তদন্ত করে এবং শেষ পর্যন্ত ঘটনাটিকে “অজানা কারণ বলে প্রতিবেদন করেছে। এই ঘটনার সময় থেকে আশির দশকের মাঝামাঝি পর্যন্ত, বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় 25 টি ছোট প্লেন অদৃশ্য হয়ে যায়। তাদের আর কখনো দেখা যায়নি। কোনও ধ্বংসাবশেষ কখনও উদ্ধার করা যায়নি।স্বাভাবিক ভাবেই এ ঘটনাগুলো ব্যাপক রহস্যের গন্ধ ছড়িয়ে দেয় মানুষের মাঝে।

এ ঘটনাগুলো প্রকাশিত হওয়ার পর জনসাধারণ অসংখ্য ব্যাখ্যা দিয়েছিলেন যেমন অনেকে দাবি করেছিলেন যে ওই স্থানে কিছু অস্বাভাবিক বা অতিপ্রাকৃত বিষয় আছে।আবার অনেকে বলেছিলেন এখানে এলিয়েনদের বসবাস আছে কিংবা পানির নীচে হারিয়ে যাওয়া আটলান্টিসের পৌরাণিক কাহিনীগুলির দুঃখজনক কিছু ঘটনার সংযুক্ততা আছে।যেমন:

বারমুডা ট্রায়াংগেলের রহস্য আজও পুরোপুরি উদঘাটিত হয়নি। মানুষ আজও জানেন ঠিক কি হয়েছিলো প্লেন গুলো নিখোঁজ হবার সময় এবং জাহাজ গুলো ডুবে যাওয়ার সময়। তবে তদন্তের থেকে বেশিরভাগ ই যা উঠে এসেছে তা হচ্ছে হয়তো কম্পাসের গোলমালে বিমান ও জাহাজ চালকরা পথ হারিয়েছিলেন কিংবা প্রচন্ড ঝড়ের মুখোমুখি হয়েছিলেন। বারমুডা ট্রায়াঙ্গল অঞ্চলের কিছু অস্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এটি পৃথিবীর মাত্র দুটি স্থানের মধ্যে একটি — অন্যটি জাপানের পূর্ব উপকূলে ডেভিলস সাগর নামে পরিচিত একটি এলাকা, যার একই রকম রহস্যময় খ্যাতি রয়েছে – যেখানে চৌম্বকীয় উত্তর লাইনের কারনে কম্পাস রিডিংয়ে ভুল দেখাতে পারে। যদিও এখনো কোনো শক্ত লজিক্যান সমাধান ই পাওয়া যায় নি এই বারমুডা ট্রায়াংগেল রহস্যের।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *