বাংলাদেশ: শনিবার ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
৩রা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১১ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি

  বাংলাদেশ: শনিবার ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৩রা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১১ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি  

শেষ আপডেটঃ ১১:৩০ পিএম

ভুলে যাওয়া অসুখ সারাবে যেসব খাবার

আমাদের মধ্যে এমন অনেকেই আছেন, যাদের ভুলে যাওয়ার প্রবণতা একটু বেশি। অনেক ক্ষেত্রেই তারা প্রয়োজনীয় তথ্য মনে রাখতে পারেন না। এমন কি কেউ কিছু বলে দিলে বা আনতে বললে কিংবা প্রয়োজনের সময় নির্দিষ্ট তথ্যটি মনে করতে পারেন না। আবার অনেক সময় দেখা যায় যে, তারা কিছুই মনে রাখতে পারছেন না।মূলত বয়সের সঙ্গে সঙ্গে মানুষের ভুলে যাওয়ার রোগ দেখা দিতে পারে। অনেকের আবার বয়সের আগেই এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। এটি হতে পারে জীবনযাপনের অনিয়মের কারণে। অ্যালজাইমার্স, ডিমেনশিয়ার মতো অসুস্থতাও দেখা দিতে পারে এই ভুলে যাওয়ার ধারাবাহিকতায়। ভুলে যাওয়ার রোগ সারাতে কাজ করে কিছু খাবার।

চলুন জেনে নেয়া যাক সে খাবারগুলো সম্পর্কে-

১.বাদাম:
বাদাম খেতে কে না পছন্দ করেন! আমাদের স্মৃতি ধরে রাখতে সাহায্য করে অতি পরিচিত এই ফল। প্রতিদিন অন্তত ১০ থেকে ১২টি বাদাম খান। অন্যান্য শুকনো ফল বেশি খেলে বাদামের পরিমাণ কমিয়ে দিতে পারেন। এটি প্রতিদিনের নাস্তায় যোগ করতে পারেন। এমনকি গুঁড়া করে দুধের সঙ্গে মিশিয়েও খেতে পারেন। নিয়মিত বাদাম খেলে তা আপনার স্মৃতিশক্তিকে অনেকটাই তীক্ষ্ণ করে তুলবে।

২.আখরোট:
আখরোট খেতে যেমন সুস্বাদু তেমন উপকারীও। এটি আমাদের মস্তিষ্ক ভালো রাখতে বেশ কার্যকরী। এতে আছে নানা ধরনের পুষ্টি যা স্মৃতিশক্তি বাড়াতে কাজ করে। এটি মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ায় অনেকটাই। এতে আছে ভিটামিন ই, তামা ও ম্যাঙ্গানিজ। যা ভুলের যাওয়ার প্রবণতা অনেকটাই কমিয়ে আনে।

৩.কুমড়ো বীজ:
কুমড়ো বীজ ফেলে না দিয়ে তা খাওয়ার অভ্যাস করুন। কারণ এটি ভীষণ উপকারী। স্মৃতিশক্তি বাড়াতে কাজ করে কুমড়োর বীজ। এটি মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী। এতে থাকে দস্তার মতো গুরুত্বপূর্ণ উপাদান যা ভুলে যাওয়ার প্রবণতা রোধ করে। পাশাপাশি উন্নত করে চিন্তা করার ক্ষমতাকেও। শিশুদের খাবারের তালিকায় নিয়মিত কুমড়োর বীজ রাখবেন। এতে তাদের মনে রাখার ক্ষমতা আরো তীক্ষ্ণ হবে।

৪.ডার্ক চকলেট:
চকলেটপ্রেমীদের কাছে প্রিয় একটি নাম হলো ডার্ক চকলেট। এই চকলেটকে বলা হয় সুপারফুড। বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত ডার্ক চকলেট খেলে তা হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখে এবং মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়ায়। পুষ্টিবিদদের মতে, ডার্ক চকলেটে আছে অনেকগুলো দ্রবণীয় ফাইবার ও খনিজ। যেমন ওলেইক অ্যাসিড, স্টেরিক অ্যাসিড, প্যালমেটিক অ্যাসিড। ডার্ক চকলেটে পাওয়া যায় অনেকগুলো জৈব যৌগ, যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে এবং রক্ত সঞ্চালন বজায় রাখে। ৬৫ শতাংশ ডার্ক চকলেট খেলে তা সহজেই রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। এতে থাকা ফ্ল্যানল রক্তচাপ হ্রাস করে। এটি ক্যান্সারের ঝুঁকিও অনেকটা কমিয়ে আনে।

৫.ব্রোকলি:
মস্তিষ্কের জন্য উপকারী একটি খাবার হলো ব্রোকলি। এতে আছে ওমেগা -৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, ফ্ল্যাভোনয়েডস, ভিটামিন-ই, আয়রন জাতীয় পুষ্টি। মস্তিষ্কের গতি বাড়াতে এবং দক্ষতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে ব্রোকলি। যদি ভুলে যাওয়ার রোগ থেকে মুক্ত থাকতে চান তবে নিয়মিত পাতে রাখুন ব্রোকলি। শিশুকেও নিয়মিত খেতে দিন সবুজ রঙের এই উপকারী সবজি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *