- AZnewsbd - https://aznewsbd.com -

ভুয়া মামলায় জেল, জড়িতদের খুঁজতে সিআইডিকে নির্দেশ হাইকোর্টের

ঝালকাঠির রাজাপুরের রফিকুল ইসলাম দিলু নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে করা ‘ভুয়া মামলা’ দিয়ে জেল খাটানোর অভিযোগের প্রেক্ষাপটে ভুয়া মামলাকারীদের খুঁজে বের করতে সিআইডিকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ বিষয়ে ৩০ দিনের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে সিআইডিকে বলা হয়েছে।

বিচারপতি মো. আবু জাফর সিদ্দিকী ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ রবিবার এ আদেশ দেন। একইসঙ্গে ৮ আগস্ট পরবর্তী আদেশের জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে। রফিকুল ইসলামের করা এক আবেদনে এ আদেশ দেন হাইকোর্ট। আদালতে আবেদনকারী পক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ।

অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ জানান, ঝালকাঠি থানার রাজাপুরের রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে জাকির হোসেন নামক এক ব্যক্তি ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে গতবছর ৭ অক্টোবর মামলা করেন। মামলায় বাদী তার ঠিকানা উল্লেখ করা হয়, বাড়ি নম্বর ৫২/ক/১, রোড নম্বর ৮এ, ধানমন্ডি, ঢাকা। এরপর ওইদিন আদালত রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। এরপর ওইবছরের ১৪ অক্টোবর পুলিশ রফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে। এর কয়েকদিন পর ১৯ অক্টোবর জামিনে মুক্তি পান রফিকুল ইসলাম। মুক্তি পেয়ে তিনি বাদীর ঠিকানা খুঁজতে যেয়ে মামলায় বর্ণিত ঠিকানায় বাদীর কোনো অস্তিত্ব পাননি। এ অবস্থায় তিনি ঘটনা তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আদালতে আবেদন করেন। কিন্তু আদালত পুলিশকে বাদীর ঠিকানা যাচাই করতে গত ২ মার্চ নির্দেশ দেয়। এ নির্দেশে পুলিশ গত ২২ মার্চ আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে। ওই প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট ঠিকানায় বাদী কোনো অস্তিত্ব পায়নি। নিম্ন আদালতে ভুয়া মামলাকারীদের বিরুদ্ধে কোনো প্রতিকার না পেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন রফিকুল ইসলাম। গতকাল এ আবেদনের ওপর শুনানি শেষে হাইকোর্ট রুলসহ অন্তবর্তীকালীন নির্দেশনা দেন।

রফিকুল ইসলাম দিলুর বিরুদ্ধে করা মামলা নিয়ে গত ৩০ এপ্রিল কালের কণ্ঠ পত্রিকায় ‘চক্রের ভুয়া মামলায় একমাস কারাবন্দী নিরাপরাধ দিলু’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, “জানা গেছে, দিলুর বিরুদ্ধে আদালতে দায়ের করা মামলার বাদী, সাক্ষী এমনকি বাদীর ঠিকানাও ভুয়া। মামলা দায়ের করতে বাদীর নোটারিও জাল।”

0
0