বাংলাদেশ: শুক্রবার ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
২রা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১০ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি

  বাংলাদেশ: শুক্রবার ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ২রা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১০ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি  

শেষ আপডেটঃ ১০:৪৭ পিএম

ভ্রমণের অন্যতম স্থান থাইল্যান্ডের ফুকেট

সমুদ্র সৈকতের অপরুপ দৃশ্যের জন্য থাইল্যান্ডের ফুকেট দ্বিপটি পর্যটকদের মাঝে অত্যন্ত বিখ্যাত। সবুজ রঙের সমুদ্রের মাঝে পাহাড়-জঙ্গল ভরা ছোট ছোট নির্জন দ্বীপ ও তার বেলা ভূমি পর্যটকদের মুগ্ধ করে। থাইল্যান্ডের ব্যাংকক থেকে প্রায় ৮৪৫ কিলো দূরে ফুকেট অবস্থিত। এই শহর যেন বিনোদনের সকল পসরা সাজিয়ে রেখেছে এখানে আসা সকল পর্যটকদের জন্য। পর্যটকরা তাই যেকোনো ছুটিতে ঘুরে আসতে পছন্দ করে এই সুন্দর শহর ফুকেট থেকে।

থাইল্যান্ড এর ফুকেটের পুরো শহর জুড়ে আছে দেখার মতো অসংখ্য জায়গা। আছে বেশ কিছু সুন্দর বীচ যার স্বচ্ছ পানি আর মনোরম পরিবেশ নিমেষেই মনকে ফুরফুরে করে দেবে। ফুকেটের সবচেয়ে বড় সৈকত গুলোর একটি হলো ফুকেট বীচ। সমুদ্রের পরিষ্কার স্বচ্ছ পানির সাথে রৌদ্রজ্জ্বল চিকচিক করা বালু এক অন্য রকম মায়াবি পরিবেশ তৈরি করে। ফুকেটের মধ্যে অন্যতম একটি জাদুঘর যা পর্যটকদের সৃজনশীলতা ও কল্পনা শক্তিকে নতুনভাবে জাগিয়ে তুলে। এখানে আসলে পর্যটকরা থাইল্যান্ডের শিল্পের সাথে নতুন ভাবে পরিচিত হবে।

ফুকেটের নানা ধরনের সাংস্কৃতিক শো এর মধ্যে ফান্টাসিয়া বিশেষ ভাবে উল্লেখযোগ্য। মূলত একটি বিশাল বড় সাংস্কৃতিক প্রাঙ্গনে বিভিন্ন ধরনের শো হয়ে থাকে আর এই সবগুলো শো একসাথে কিংডম ফান্টাসি নামে পরিচিত। রাতের বেলায় এখানে নানা ধরনের শো দেখার সাথে সাথে বুফে রেস্টুরেন্টে খাবারের ও ব্যবস্থা আছে। ফুকেটে বীচ গুলোর আসে পাশে অনেক হোটেল রয়েছে থাকার জন্য।

এখানে আসলে পর্যটকরা থাইল্যান্ডের শিল্পের সাথে নতুন ভাবে পরিচিত হবে। পানির নিচের জলজ প্রানিদের সৌন্দর্য দেখতে চাইলে অবশ্যই ফুকেটের এ্যাকুরিয়াম থেকে ঘুরে আসতে হবে। এই এ্যাকুরিয়ামে পর্যটকরা বড় একটি সুড়ঙ্গের ভিতর দিয়ে যাওয়ার মাধ্যমে আসে পাশে বিভিন্ন জলীয় প্রানিদের বিচরণ দেখতে পারে। ফুকেটে সিটি ট্যুর বেশ প্রচলিত। এখানে বাচ্চাদের খেলার জন্য পার্ক, কিছু রেস্টুরেন্ট, ফিটনেস জোন ও একটি আকর্ষণীয় চত্বর আছে।

ফুকেটের একটি উল্লেখযোগ্য মাইল ফলক হলো বৌদ্ধ মূর্তি। এই বিশাল বৌদ্ধ মূর্তি সাদা মার্বেল পাথর দিয়ে তৈরি। এখান থেকে ফুকেট শহর ও তার আসে পাশের উপসাগর দেখার সাথে সাথে বৌদ্ধের ইতিহাস সম্বেলিত জাদুঘরও ঘুরে আসতে পারবেন। ফুকেট শহরের মধ্যে সবচেয়ে সুন্দর এই উপাসনালয়। এখানে তিনটি মূর্তি আছে যা ভিন্ন ভিন্ন চীনা দেবতার প্রতিরূপ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *