বাংলাদেশ: সোমবার ২০শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
৫ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১৩ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি

  বাংলাদেশ: সোমবার ২০শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৫ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১৩ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি  

শেষ আপডেটঃ ১:৫২ পিএম

লিপস্টিক ব্যবহারে ভয়ংকর ক্ষতি

নারীদের সাজের প্রধান অনুষঙ্গ হচ্ছে লিপস্টিক। পোশাকের রঙের সঙ্গে মিলিয়ে নারীরা তাদের ঠোঁট রাঙিয়ে থাকেন। মূলত, লিপস্টিক হচ্ছে ঠোঁটের সৌন্দর্য চর্চার একটি প্রধান উপকরণ।তবে লিপস্টিক ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা চাই। যখন তখন যে কোনো পরিস্থিতিতে ঠোঁটে লিপস্টিক ব্যবহার করলে বাঞ্ছিত ফল তো লাভ হয়ই না, বরং বিপরীত ফল হতে পারে।

স্বাস্থবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে এই বিষয়ের উপর প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে লিপস্টিকের ভয়ংকর ক্ষতিকর দিকগুলো নিম্নে তুলে ধরা হলো-

১. ক্যাডমিয়াম, অ্যালুমিনিয়ামসহ আরো কয়েক ধরনের ধাতুর মিশ্রণে তৈরি হয় লিপস্টিক, যা শরীরের বিপাকীয় রস ও অম্লের সঙ্গে মিশে বিষাক্ত হয়।যদিও অসংখ্য গবেষণা ও স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান আশ্বাস দেয় যে, লিপস্টিকে ব্যবহৃত ধাতব উপাদান ক্ষতিকর নয়, তারপরও প্রমাণিত প্রতিবেদনে দেখা গেছে যে, বারবার ঠোঁটে লিপস্টিক মাখিয়ে রং ঝালিয়ে নেয়ার মাধ্যমে ‘বিষ পান’ করা হয় অল্প অল্প করে। এনভাইরোনমেন্টাল হেলথ পার্সপেক্টিভ (ইএইচপি)য়ে প্রকাশিত এক গবেষণায় এর প্রধান গবেষক যুক্তরাষ্ট্রের স্নায়ুবিশেষজ্ঞ ডা. ক্যাথরিন হ্যামন্ড বলেন, শিশুরা লিপস্টিক খাওয়া শুরু করলে বিষয়টা চিন্তার বিষয়। কারণ তার শরীরের ক্ষমতার তুলনায় বেশি মাত্রার ক্ষতিকর ধাতব উপাদান তার শরীরের প্রবেশ করছে।ইএইচপির করা ওই গবেষণা অনুযায়ী, অ্যালুনিয়াম ও অন্যান্য ধাতব উপাদানসমূহ, যা পরিমাণে দস্তার চাইতেও বেশি পরিমাণে লিপস্টিকে পাওয়া গেছে, সেগুলো অতিরিক্ত পরিমাণে শরীরে প্রবেশ করা অত্যন্ত ক্ষতিকর। একজন সাধারণ নারী প্রতিদিন কতটা ধাতব উপাদান গ্রহণ করেন সেটাও জানান গবেষণার লেখক, যার পরিমাণ ২৪ মিলিগ্রাম।

২. যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ) বলছে, লিপস্টিকে থাকা দস্তার পরিমাণ চিন্তিত হওয়ার মতো না হলেও দৈনিক যতবার এই লিপস্টিক ব্যবহার হয় সেটা একেবারে হেলাফেলা করার মতো নয়।তাই দৈনিক লিপস্টিকের ব্যবহার একবার সর্বোচ্চ দুবারের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখাই ভালো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *