বাংলাদেশ: সোমবার ২০শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
৫ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১৩ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি

  বাংলাদেশ: সোমবার ২০শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৫ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১৩ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি  

শেষ আপডেটঃ ১:৫২ পিএম

শিক্ষার্থীদের সময় কাটছে যে ভাবে

২০১৯ থেকে ২০২১ বিশ্ববাসীর নিকট একটা বিষাক্তময় সাল। মরনব্যাধী করোনা যেমন নিজে কেড়ে নিচ্ছে মানুষের প্রাণ তেমন দিনে কত মানুষ ব্যর্থতার গ্লানি, ডিপ্রেশনে আত্নহুতি দিচ্ছে নিজের প্রাণ। করোনাকালীন এ সময় প্রতিটা শিক্ষার্থীদের মনে একটা ঝড় বয়ে যাচ্ছে। যাদের লেখাপড়া শেষ হয়ে যাওয়ার কথা ২০২০ তেই তারা এখনো ঘুরছে করোনার খেলাঘরে। দিনের পর দিন চলে যায়, স্কুল কলেজ খুলবে, সরকার আশা দেয়; আবার করোনা বেড়ে যায় লকডাউনের ঝামেলা মাথায় বোঝা রুপ নেয়।

কোন কিছুতেই যখন কিছু হয় না। সংসারে অশান্তি, মনের উপর চাপ; এমতাবস্থায় বেশিরভাগ শীক্ষার্থী অনলাইনে কাজ করে টাকা আয়ের পথ বের করে নেয়। অনলাইনে বিভিন্ন ব্যবসা ও এই করোনাকালীন সময় বেশী চালু হয়ে যায়। কেউবা পত্রিকা লেখে। নিজেকে স্বাবলম্বী করে গড়ার আপ্রাণ চেষ্টা চলতে থাকে দিনের পর দিন ঘরে বসে থাকা এসব শিক্ষার্থীদের।

অনেকে আবার বাড়িতেই নিজের প্রতিভার বিকাশ ঘটিয়ে নতুন চেষ্টা চালায় নতুন কিছু সৃষ্টির। কেউবা আবার সাহত্যের জগতে লেখালিখি শুরু করে। মূল কথা বলা যায় এই প্রযুক্তির যুগে করোনাকালীন সময়ে শীক্ষার্থীর মন কিছুটা ভালো থাকার দায়িত্ব যেন নিয়েছে অনলাইন মাধ্যম।

এবার আসি ছোট ছেলে মেয়ে যারা বাসায় বসে মা বাবাকে অতিষ্ঠ করে তুলছে। প্রতিদিন নিয়ম করে স্কুলে যাওয়ার অভ্যাস। ছোট ছেলেমেয়েরা কী আর বন্ধী জীবন ভালোবাসে। এদের জন্যও অনলাইন মাধ্যম দিয়েছে বাসায় করে অনলাইনে ক্লাস করার সুযোগ যার ফলে তাদের লেখাপড়া চলমান এবং তাদের মনের উপর ও চাপ সৃষ্টি হচ্ছে না।

শেষ আমরা বলতে পারি করোনাকালীন সময় অনেক শিক্ষার্থী ঝরে গেছে, অনেকে পৃথিবী থেকেই হারিয়ে গেছে আবার কেউ কেউ অনলাইন জগতে নিজেকে প্রতিষ্টিত করেছে। তাই বলা যায় করোনাকালীন সময় ভালো খারাপের ভিতর দিয়েই চলছে শিক্ষার্থীরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *