বাংলাদেশ: শনিবার ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
৩রা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১১ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি

  বাংলাদেশ: শনিবার ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৩রা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১১ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি  

শেষ আপডেটঃ ১১:৩০ পিএম

শোষিত বঞ্চিত নিপীড়িত মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর বঙ্গবন্ধু: স্পিকার

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, শোষিত বঞ্চিত নিপীড়িত মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তাঁর অদম্য সাহস, দেশপ্রেম, মানুষের জন্য ভালোবাসা, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী সত্তা সকলের জন্য অনুসরণীয়। তাঁর সুদীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের সফল পরিণতি স্বাধীন বাংলাদেশ। এরপর তিনি জাতিকে উপহার দিয়ে গেছেন বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ সংবিধান।আজ বুধবার জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত ‘জ্যোতির্ময় স্মৃতিতে বঙ্গবন্ধু ও বর্তমান বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এম কামরুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আলোচনায় অংশ নেন ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. এ কে আজাদ চৌধুরী, বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. মো. আফজাল হোসেন. বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার ড. বিধান চন্দ্র হালদার, ড. ইমরান পারভেজ প্রমূখ।

অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে স্পিকার বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির জীবনে এক কলঙ্কজনক অধ্যায়। বঙ্গবন্ধু চির অম্লান-চিরভাস্বর-মৃত্যুঞ্জয়ী। বাঙালির অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রতিটি ক্ষেত্রে তিনি আজীবন কাজ করেছেন। জনগণকে কিভাবে অধিকার আদায়ের সংগ্রামে সম্পৃক্ত করতে হয়, তা তিনি শিখিয়ে গেছেন। স্বৈরতন্ত্রে নয়, গণতন্ত্রে বিশ্বাসী বঙ্গবন্ধু জনগণকে সম্পৃক্ত করে রাজনৈতিক প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নেওয়ার শিক্ষা দিয়ে গেছেন। তিনি আরো বলেন, দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর যে দর্শন তা বঙ্গবন্ধুর শৈশবকাল থেকেই আমরা দেখতে পাই। ছোট্টবেলার খোকা অন্যায়ের সাথে কখনো আপোষ করতে শেখেননি। কোন প্রলোভন তাঁকে লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত করতে পারেনি।

জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা আজ বাস্তবায়নের পথে উল্লেখ করে ড. শিরীন শারমিন বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশকে পিতার আদর্শে এগিয়ে নিচ্ছেন। স্বাধীনতা বিরোধী শক্তিকে রুখে দিয়ে এখন বাঙালি ঘুরে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত থেকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে উন্নীত হয়েছে। খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা, নিজ অর্থায়নে পদ্মাসেতু, শতভাগ বিদ্যুতায়ন, গৃহহীনদের জন্য ঘর নির্মাণ, মাথাপিছু আয় বৃদ্ধিসহ সকল সূচকে দেশ অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে চলেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *