বাংলাদেশ: রবিবার ১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
৪ঠা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১২ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি

  বাংলাদেশ: রবিবার ১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১২ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি  

শেষ আপডেটঃ ১:৫২ পিএম

সন্তানের প্রতি পিতা মাতার কি কি দায়িত্ব রয়েছে

প্রত্যেক পিতা মাতার কাছে সন্তান অতি আদরের একটি আমানত। পিতা মাতা মানেই যারা সন্তানের সবথেকে কাছের এবং নিরাপদ আশ্রয়স্থল। একটি সন্তানকে জন্ম থেকে শুরু করে বোধ শক্তি আসা পর্যন্ত পুরোটা সময় পিতা মাতা পরম যত্নে আগলে রাখে। সন্তানের প্রতিটি চাহিদা পুরন করার চেষ্টা করে। ভালোবাসার পাশাপাশিও সন্তানের প্রতি পিতা মাতার বেশ কিছু দায়িত্ব রয়েছে যেগুলো প্রত্যেক পিতা মাতার ই পালন করা অবশ্যই উচিত। দায়িত্ব গুলো হচ্ছে –

১.পিতামাতাদের অবশ্যই তাদের শিশুদের বস্তুগত ও আধ্যাত্মিক কল্যাণের ব্যবস্থা করতে হবে। তাদের অবশ্যই তাদের সন্তানদের সুস্থ বৃদ্ধির ব্যবস্থা করতে হবে।

২.প্রত্যেক পিতা মাতার তাদের অনুকরণীয় জীবন দিয়ে তাদের সন্তানদের অনুপ্রাণিত করতে হবে এবং তাদের দোষগুলো সংশোধন করায় কখনো অবহেলা করা যাবেনা।

৩.যতদূর সম্ভব সন্তানের প্রয়োজনীয় খাদ্য, বস্ত্র, আশ্রয় এবং চিকিৎসা সেবা প্রদান করতে হবে।

৪.সন্তানদের নৈতিক প্রশিক্ষণের পাশাপাশি তাদের ধর্মের সঠিক শিক্ষা এবং সঠিক জ্ঞান প্রদান করতে হবে।

৫.বাবা -মাকে অবশ্যই তাদের সন্তানদের সুস্থ পরিবেশে রাখতে হবে এবং তাদের নাগরিক হিসেবে এবং সমাজের প্রতি দায়িত্ব গুলো শিখাতে হবে।

৬.অনুভূতিতে আঘাত লাগে এমন কোনো ব্যাবহার পিতা মাতার করা উচিৎ না। ভুল করলে বুঝিয়ে বলতে হবে।

৭.সন্তান, সন্তান হলেও সে একজন মানুষ। একজন মানুষ হিসেবে যতটা সম্মান তার প্রাপ্য তা দিতে হবে।

৮.সন্তানকে সে সকল প্রয়োজনীয় শিক্ষা দিতে হবে যা তার জীবনে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার জন্য জরুরি।

৯.সন্তানকে ভালো সঙ্গ ও খারাপ সঙ্গ সম্পর্কে ধারণা দিতে হবে।

১০.পরিবারের যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে সন্তান কে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

১১.সন্তান কে সঠিক পথা দেখাতে হবে কিন্তু সন্তানের উপর নিজের সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেয়া যাবেনা।

১২.সন্তানের উপর বিশ্বাস রাখতে হবে।

প্রাথমিক ভাবে একটি শিশুর সবথেকে বড় আশ্রয়স্থন পিতা মাতা। এরপরে সময়ের সাথে শিশু শারীরিক ভাবে যেমন বড় হয় তেমনই মানসিক ভাবে ও বড় হয়। বাবা মা অবশ্যই সন্তানের প্রতি অনেক যত্নশীল হয় কিন্তু অনেক বাবা মা ই সন্তানের মানসিক অবস্থা কে তেমন গুরুত্ব দেয় না। যা ঠিক না। পিতা মাতার সবসময় ই উচিৎ তার সন্তানের সমস্ত চাহিদা গুলোর পাশাপাশি তার মানসিক স্বাস্থ্যের খেয়াল ও রাখা, সন্তানের প্রতি কঠোর না হয়ে বন্ধুসুলভ হওয়া।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *