বাংলাদেশ: শনিবার ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
৩রা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১১ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি

  বাংলাদেশ: শনিবার ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৩রা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১১ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি  

শেষ আপডেটঃ ১১:৩০ পিএম

সর্বকালের সেরা ১০ টি বাংলাদেশী সিনেমা

আধুনিকতার ছোঁয়ায় দিনে দিনে বাংলা সিনেমা জগৎ হারিয়ে যাচ্ছে। তবুও আমাদের স্মরণ রাখতে হবে বাংলা সিনেমার রয়েছে প্রাচীন ও গৌরবময় ইতিহাস। ১৯২৭ সালে ঢাকার নবাব পরিবারের তরুনদের মাধ্যমে নির্বাক ছবির যাত্রা শুরু হলেও ১৯৫৭ সালে আব্দুল জব্বার খানের পরিচালনায় ‘মুখ ও মুখোশ’ নামে প্রথম সবাক সিনেমা নতুন ইতিহাস রচনা করে। তারপর আর এ অগ্রযাত্রা থেমে থাকেনি। সময়ের আবর্তনে বাংলা সিনেমার মুকুটে যুক্ত হয়েছে অসংখ্য সোনালী পালক।

সর্বকালের সেরা ১০ বাংলা সিনেমা:
১. জীবন থেকে নেয়া (১৯৭০):
জহির রায়হান পরিচালিত এই সিনেমা একসময় খুব জনপ্রিয় ছিল। জহির রায়হান তৎকালীন সময়ে বাঙালির স্বাধীনতা আন্দোলনকে অসাধারণ রুপকতায় ফুটিয়ে তুলেছেন।

২. সীমানা পেরিয়ে (১৯৭৭):
ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছাসে এক তরুন আর ধনীর দুলালী তরুনী ভাসতে ভাসতে এসে পৌঁছায় জনমানবহীন এক দ্বীপে। সেখানে শুরু হয় তাদের বেঁচে থাকার সংগ্রাম। এক পর্যায়ে দুজনের মধ্যে দুজনের প্রতি ভালবাসা তৈরী হয় তারপর কাহিনী নেয় নতুন মোড়।

৩. ছুটির ঘন্টা (১৯৮০):
এই ছবিটি একটি সত্য ঘটনার উপর নির্মিত। ঈদের ছুটি ঘোষনার দিন সবার অলক্ষ্যে স্কুলের বাথরুমে আটকা পড়ে বারো বছরের এক ছাত্র। আটক থেকে মুক্তি পাওয়ার আকুতি, অমানবিক কষ্টের স্বরূপ পরিচালক তাঁর দক্ষতায় ফুটিয়ে তুলেছেন।

৪. তিতাস একটি নদীর নাম (১৯৭৩):
ছবিটি অদ্বৈত মল্লবর্মনের বিখ্যাত উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত। তিতাস নদী ও নদী পাড়ের মানুষের জীবন চিত্র উঠে এসেছে এ ছবিতে।

৫. চিত্রা নদীর পাড়ে (১৯৯৯)
১৯৪৭ সালের দেশভাগের সময়কে প্লট করে এ ছবিটি নির্মান করেছেন তানভীর মোকাম্মেল। ধর্মের পরিচয়ে বিভক্ত বিপুল মানুষের দেশবদল, আবেগ, আশা ও অনিশ্চতাকে পরিচালক অসাধারণ শৈল্পিকতায় বন্দী করেছেন।

৬. নবাব সিরাজউদ্দৌলা (১৯৬৭):
বাংলার দুইশ বছরের পরাধীনতার শুরুর চিত্র এটি। পলাশীর প্রান্তরে মীরজাফরের কূটচালে বাংলা-বিহার-উড়িষ্যার শেষ নবাব সিরাজউদ্দৌলা ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর কাছে পরাজিত হন । সেই সাথে বাঙালির সৌভাগ্যের সূর্য্যও অস্থমিত হয়। সেই ঘটনাই আনোয়ার হোসেন দক্ষ অভিনয়ে ফুটিয়ে তুলেছেন।

৭. বেদের মেয়ে জ্যোৎস্না (১৯৮৯):
বাংলাদেশের চলচিত্র ইতিহাসের অন্যতম সফল ছবি এটি। ধনী গরীবের ভালবাসাই ছবিটির উপজীব্য। চলচ্চিত্রটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গেও পুননির্মাণ করে মুক্তি দেওয়া হয়।

৮: সাত ভাই চম্পা (১৯৬৮):
সাত ভাই চম্পা মূলত বাংলাদেশের জনপ্রিয় একটি রূপকথার গল্প। গল্পটি প্রথম অনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ হয়েছিল ১৯০৭ সালে। সাত ভাই চম্পা চলচ্চিত্রটি ব্রিটিশ ফিল্ম ইনস্টিটিউটে সর্বকালের সেরা দশটি বাংলা চলচ্চিত্রের মধ্যে একটি হিসাবে স্থান পেয়েছে।

৯. রূপালী সৈকতে(১৯৭৯):
ছবিটির মূল উপজীব্য হচ্ছে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ। মুক্তিযুদ্ধের সময়কার বিভিন্ন ঘটনা প্রবাহ পরিচালক অসীম সাহসীকতায় ফিতায় বন্দি করেছেন।

১০. ধীরে বহে মেঘনা:(১৯৭৩)
ভারতের সাথে যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচিত্র ধীরে বহে মেঘনা। মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক এই সিনেমাটি মানুষের মন জয় করেছিল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *