বাংলাদেশ: শনিবার ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
৩রা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১১ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি

  বাংলাদেশ: শনিবার ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৩রা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১১ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি  

শেষ আপডেটঃ ১১:৩০ পিএম

হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ গুলো জেনে রাখুন

হার্ট অ্যাটাক, যাকে মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশনও বলা হয়, তখনই ঘটে যখন হার্টের পেশীর একটি অংশ পর্যাপ্ত রক্ত ​​পায় না। করোনারি আর্টারি ডিজিজ (সিএডি) হার্ট অ্যাটাকের প্রধান কারণ। এর কারণ হল একটি করোনারি ধমনীর মারাত্মক খিঁচুনি বা আকস্মিক সংকোচন যা হৃৎপিণ্ডের পেশীতে রক্ত ​​প্রবাহ বন্ধ করতে পারে।

বেশ কয়েকটি স্বাস্থ্য পরিস্থিতি, জীবনধারা এবং বয়স এবং হৃদরোগের পারিবারিক ইতিহাস হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলতে পারে। এগুলোকে বলা হয় রিস্ক ফ্যাক্টর। লো ডেনসিটি কোলেস্টেরল বৃদ্ধি,স্থূলতা এসবও হার্ট অ্যাটাকে বেশ বড় ভূমিকা রাখে।রক্তবাহী কোনো ধমনীতে যখন অতিরিক্ত লো ডেনসিটি কোলেস্টেরল বা খারাপ কোলেস্টেরল গুলো জমা হতে থাকে তারপর একসময় ধমনী থেকে রক্ত চলাচল কঠিন হয়ে বড়ে বা বন্ধ হয়ে যায় ফলে হৃদপিন্ডে রক্ত সরবারাহ ও বন্ধ হয়ে যায় তখনই হার্ট অ্যাটাক হয়ে থাকে।

হার্ট অ্যাটাকের লক্ষনগুলো –

হার্ট অ্যাটাকের প্রথমেই বুকের মাঝখানে বা বাম সাইডে সূক্ষ্ম ব্যাথা ও অনেক বেশি অস্বস্তি অনুভূত হতে থাকে। ধীরে ধীরে এই ব্যাথা তীব্র হতে থাকে।

অনেক বেশি দুর্বল অনুভুত হয় এবং অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা ও থাকে।

চোয়াল, ঘাড় ও পিঠে ব্যাথা হয়।

বাহুতে এবং কাধে ব্যাথা হয়।

বুকে ব্যাথা শুরু হওয়ার সাথে সাথে কিংবা তার কিছু আগে থেকেই শ্বাসকষ্ট হয়।

পেটে ব্যাথা হতে পারে।

প্রচুর ঘাম আসে।

বমি বমি ভাব, বদহজম হয়।

হার্ট অ্যাটাকের লক্ষন সব লোকের ক্ষেত্রে একই নাও হতে পারে। লক্ষণগুলির তীব্রতাও ভিন্ন হতে পারে। কিছু মানুষের হালকা ব্যথা হয়; আবার অন্যদের তীব্র ব্যথা হয়। কিছু লোকের কোন উপসর্গই প্রকাশ পায়না । অনেকের প্রথম লক্ষণ হঠাৎ কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হতে পারে। কিছু হার্ট অ্যাটাক হঠাৎ করে হানা দেয়, আবার অনেকেরই লক্ষন থাকে এক ঘন্টা, দিন বা সপ্তাহ আগে। প্রাথমিক সতর্কতা বারবার বুকে ব্যথা বা চাপ (এনজাইনা) হতে পারে যা কার্যকলাপের দ্বারা উদ্দীপিত হয় এবং বিশ্রামে উপশম হয়। হৃদপিন্ডে রক্ত ​​চলাচলে সাময়িক হ্রাসের কারণে এনজাইনা হয়।তবে এ অবস্থা তীব্র হলে মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন হয়। এ পরিস্থিতি থেকে মৃত্যু ও হতে পারে তাই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব চিকিৎসকের শরনাপন্ন হতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *