বাংলাদেশ: মঙ্গলবার ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
৬ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১৪ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি

  বাংলাদেশ: মঙ্গলবার ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৬ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১৪ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি  

শেষ আপডেটঃ ১:৫২ পিএম

মিথ্যা পরিত্যাগে বাচ্চাদের উৎসাহিত করবেন যেভাবে

বাচ্চারা কোনো কিছু না বুঝেই মিথ্যা বলে। আবার মাঝে মধ্যে বোকা কিংবা মার খাওয়ার ভয়েও মিথ্যা বলে। যদিও শুরুর দিকে তাদের মিথ্যাটা খুবই সামান্য থাকে। তবে সেই মিথ্যে বলায় কোনো বাধা না পেলে, পরে বাড়তে থাকে মিথ্যার পরিমাণ। আর তখনই বিষয়টা সমস্যার হয়ে দাঁড়ায়।তাইতো এ মিথ্যা বলার প্রবণতা থেকে বাচ্চাকে শুরু থেকেই থামানো উচিত। যদি সেটা না হয়, তাহলে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কারণে-অকারণে মিথ্যে বলাটা অভ্যাসে পরিণত হবে এবং সেটা তার ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য খুবই ক্ষতিকারক হয়ে দাঁড়াবে।

চলুন তবে জেনে নেয়া যাক বাচ্চাদের মিথ্যা বলা থেকে বিরত রাখতে আপনার করণীয় সম্পর্কে-

রোল মডেল হোক সত্যটা

মিথ্যা যে বলে সে খারাপ, আর সত্যি যে বলে সে ভালো। যে ভালো, তাকেই রোল মডেল করা উচিত। এরকম একটা ধারণা ছোটবেলা থেকেই তার মনে সৃষ্টি করে দিন। মিথ্যা যে বলে, তাকে কেউ পছন্দ করে না, তার সঙ্গে কেউ খেলে না, তাকে কেউ ভালোবাসে না- এমন একটা ধারণা বাচ্চার মনে গেঁথে দিন। এমন কোনো একজন কাল্পনিক চরিত্রের কথাও তাকে বলতে পারেন, মিথ্যা বলে যার জীবন খুব কষ্টে কাটে।

সত্যি বললে পুরস্কার

বাচ্চা কেন মিথ্যা বলছে সেটা আপনাকে বুঝতে হবে এবং প্রথমেই সেই জায়গাটা তাকে দিতে হবে, যাতে সে সত্যি বলতে ভয় না পায়। তাকে বুঝিয়ে দিন, ঘটনাটা যত খারাপই হোক না কেন সত্যি বলতে সে যেন কখনো ভয় না পায়। এক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো পথ, সে যদি প্রথমে মিথ্যা বলে, তারপর সত্যিটা স্বীকার করে, তাহলে তাকে পুরস্কার দিন। সেক্ষেত্রে সত্যি বলার উৎসাহ বাড়বে।

সাবধান করুন

প্রথমবার মিথ্যা বললেই শাস্তি দেয়ার রাস্তায় হাঁটবেন না। বরং তাকে সাবধান করুন। এটাও পরিষ্কার করে বুঝিয়ে দিন, সেই কথা না মানলে কী কী শাস্তি সে পেতে পারে। যেমন ধরুন আগামী ছুটিতে তাকে নিয়ে হয়তো কোথাও বেড়াতে যাওয়ার কথা আছে। মিথ্যা বললে, সেটা বাতিল হয়ে যেতে পারে- এমন শাস্তির আভাস দিয়ে রাখুন।

বিশ্বাস ফিরিয়ে আনুন

মিথ্যা বলার পর সে যদি সত্যিটা স্বীকার করে নেয়, তাহলে তাকে যতটা পুরস্কার দেবেন বলে জানিয়েছিলেন, তার চেয়ে বেশি কিছু দিন। তাতে তার বিশ্বাস বাড়বে। সে সত্যি বলার ভালো দিকগুলো সম্পর্কে সচেতন হতে পারবে।

বিশেষজ্ঞের পরামর্শ

যদি দেখেন কোনোভাবেই বাচ্চার মিথ্যা বলার অভ্যাস বন্ধ করা যাচ্ছে না, তাহলে মনোবিদের পরামর্শ নিন। কারণ তিনি বলতে পারবেন, কোন থেরাপির মাধ্যমে কীভাবে তার মিথ্যা বলার অভ্যাস বন্ধ করা যায়। তবে বিষয়টি খুব বাড়াবাড়ি জায়গা গেলেই এই পদক্ষেপটি নিতে হবে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *