সবাইকে মশা নিধনে এগিয়ে আসতে হবে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

ডেস্ক এডিটর এজেড নিউজ বিডি, ঢাকা
সবাইকে মশা নিধনে এগিয়ে আসতে হবে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, মশা নিধন কারও একার পক্ষে সম্ভব না। জনপ্রতিনিধি ও জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করতে হবে। প্রতিকার থেকে প্রতিরোধ উত্তম। মশা নিধনে সবচেয়ে কার্যকর পন্থা হচ্ছে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা যাতে মশার উৎপাদন না হয়।

বুধবার (২০ মার্চ) রাজধানীর উত্তরায় ১২ নম্বর সেক্টর খাল পাড়ে উত্তর সিটি করপোরেশনের ‘মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম’ পরিদর্শনকালে এ কথা বলেন। এ সময় ডিএনসিসির মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম ও বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলররা উপস্থিত ছিলেন।

মো. তাজুল ইসলাম বলেন, ঢাকা শহরের বিভিন্ন খালে বাসাবাড়ির সুয়ারেজ বর্জ্যের কারণে পানি দূষিত হচ্ছে এবং কচুরিপানার জন্য প্রচুর মশা উৎপাদন হচ্ছে। এসব সমস্যা সমাধানের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে ঢাকাকে পাঁচটি ক্যাচমেন্ট এরিয়াতে ভাগ করে বর্জ্য নিষ্পত্তি করার জন্য সুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট স্থাপন করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী এরই মধ্যে দাসেরকান্দিতে একটি প্লান্ট উদ্বোধন করেছেন এবং উত্তরাতেও একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে।

তিনি বলেন, এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে এ বছরের জানুয়ারি মাস থেকে মন্ত্রণালয়ে প্রস্তুতি সভা করা হয়েছে এবং সিটি করপোরেশনগুলোর সক্ষমতা পর্যালোচনা করে যেখানে যতটুকু দরকার- মন্ত্রণালয় থেকে সহযোগিতা করা হয়েছে।

এ সময় ঢাকায় অবস্থিত খালগুলো সিটি করপোরেশনের আওতাভুক্ত করার আশ্বাস দিয়ে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, ওয়াসার আওতায় থাকা খালগুলো সিটি করপোরেশনের মধ্যে এনেছি। রাজউকের কাছে থাকা খালগুলোর দায়িত্ব সিটি করপোরেশন পেলে এগুলোর পরিচ্ছন্ন ও উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে। কেননা সরকারি ব্যক্তিদের থেকে জনগণ দ্বারা নির্বাচিত ব্যক্তিরা দায়িত্বশীল বেশি থাকেন। যেহেতু রাজউক আমার মন্ত্রণালয়ের আওতায় না, তাই এই বিষয়ে আমি কথা বলবো।

এজেড নিউজ বিডি ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

সবাইকে মশা নিধনে এগিয়ে আসতে হবে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

সবাইকে মশা নিধনে এগিয়ে আসতে হবে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, মশা নিধন কারও একার পক্ষে সম্ভব না। জনপ্রতিনিধি ও জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করতে হবে। প্রতিকার থেকে প্রতিরোধ উত্তম। মশা নিধনে সবচেয়ে কার্যকর পন্থা হচ্ছে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা যাতে মশার উৎপাদন না হয়।

বুধবার (২০ মার্চ) রাজধানীর উত্তরায় ১২ নম্বর সেক্টর খাল পাড়ে উত্তর সিটি করপোরেশনের ‘মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম’ পরিদর্শনকালে এ কথা বলেন। এ সময় ডিএনসিসির মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম ও বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলররা উপস্থিত ছিলেন।

মো. তাজুল ইসলাম বলেন, ঢাকা শহরের বিভিন্ন খালে বাসাবাড়ির সুয়ারেজ বর্জ্যের কারণে পানি দূষিত হচ্ছে এবং কচুরিপানার জন্য প্রচুর মশা উৎপাদন হচ্ছে। এসব সমস্যা সমাধানের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে ঢাকাকে পাঁচটি ক্যাচমেন্ট এরিয়াতে ভাগ করে বর্জ্য নিষ্পত্তি করার জন্য সুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট স্থাপন করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী এরই মধ্যে দাসেরকান্দিতে একটি প্লান্ট উদ্বোধন করেছেন এবং উত্তরাতেও একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে।

তিনি বলেন, এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে এ বছরের জানুয়ারি মাস থেকে মন্ত্রণালয়ে প্রস্তুতি সভা করা হয়েছে এবং সিটি করপোরেশনগুলোর সক্ষমতা পর্যালোচনা করে যেখানে যতটুকু দরকার- মন্ত্রণালয় থেকে সহযোগিতা করা হয়েছে।

এ সময় ঢাকায় অবস্থিত খালগুলো সিটি করপোরেশনের আওতাভুক্ত করার আশ্বাস দিয়ে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, ওয়াসার আওতায় থাকা খালগুলো সিটি করপোরেশনের মধ্যে এনেছি। রাজউকের কাছে থাকা খালগুলোর দায়িত্ব সিটি করপোরেশন পেলে এগুলোর পরিচ্ছন্ন ও উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে। কেননা সরকারি ব্যক্তিদের থেকে জনগণ দ্বারা নির্বাচিত ব্যক্তিরা দায়িত্বশীল বেশি থাকেন। যেহেতু রাজউক আমার মন্ত্রণালয়ের আওতায় না, তাই এই বিষয়ে আমি কথা বলবো।

এজেড নিউজ বিডি ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Download
ঠিকানা: মনসুরাবাদ হাউজিং, ঢাকা-১২০৭ এজেড মাল্টিমিডিয়া লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান।