তরমুজের বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি

ডেস্ক এডিটর এজেড নিউজ বিডি, ঢাকা
তরমুজের বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি
ছবি: সংগৃহীত

আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ঝালকাঠিতে এ বছর তরমুজের বাম্পার ফলন হয়েছে। ভালো ফলন ও দাম বেশি পাওয়ায় হাসি ফুটেছে কৃষকের মুখে।

চাষিরা জানান, ঝালকাঠির তরমুজ খেতে সুমিষ্ট। তাই দেশব্যাপী এর সুনাম রয়েছে। এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ফলন ভালো হয়েছে। আর পাইকাররা সরাসরি ক্ষেত থেকে তরমুজ কেনায় কৃষকের লাভ বেশি হচ্ছে।

চাষিরা এ সময় অভিযোগ করেন, ক্ষেতে তরমুজ পিস হিসেবে বিক্রি হলেও কিছু অসাধু ব্যবসায়ী নিয়ে গিয়ে কেজি হিসেবে বিক্রি করেন।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জেলায় এ বছর ৭৭ হেক্টর জমিতে তরমুজের আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে, রাজাপুর উপজেলায় ৪০ হেক্টর, নলছিটি উপজেলায় ২৮ হেক্টর, ঝালকাঠি সদর উপজেলায় ৫ হেক্টর ও কাঁঠালিয়া উপজেলায় ৪ হেক্টর জমিতে তরমুজের আবাদ হয়েছে।

জেলার সব চেয়ে বড় তরমুজ ক্ষেত রাজাপুর উপজেলার মঠবাড়ি ইউনিয়নের মানকি সুন্দর ও বরইয়া ইউনিয়নের পালট গ্রামে। মানকি সুন্দর চরে প্রায় ৭০ একর জমিতে একটি তরমুজ ক্ষেত রয়েছে। স্থানীয় ইউপি সদস্য কবির হোসেনের নেতৃত্বে কৃষকরা একত্রিত হয়ে এখানে তরমুজ আবাদ করেছেন।

ক্ষেতটি বিষখালী নদীর তীরবর্তী হওয়ায় পানি দেওয়ায় কৃষকদের সুবিধা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পাইকাররা এখান থেকে নৌপথে তরমুজ নিয়ে যাচ্ছেন। তিন দিন পূর্বে এখানকার তরমুজ বিক্রি শুরু হয়েছে। আকারভেদে ২০০-৬০০ টাকা পর্যন্ত প্রতিটি তরমুজ পাইকারি বিক্রি হচ্ছে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য ও তরমুজ চাষি মো. কবির হোসেন বলেন, গত পাঁচ-ছয় বছর ধরে আমরা তরমুজ চাষ করছি। এবার ফলন ভালো হয়েছে। আশা করি লাভবান হতে পারব।

তরমুজ চাষি মামুন মোল্লা বলেন, তরমুজ বিক্রির মৌসুম কেবল শুরু হয়েছে। আমাদের এখানকার তরমুজ আকারে বড় ও মিষ্টি হওয়ায় ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে বরিশাল, পিরোজপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আমাদের তরমুজ যাচ্ছে।

ঝালকাঠি জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মুনিরুল ইসলাম বলেন, কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে তরমুজ চাষিদের সব ধরণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি এ বছর আবহাওয়া ভালো থাকায় ফলন ভালো হয়েছে। আশা করা যায়, কৃষকরা এ বছর লাভবান হবেন।

এজেড নিউজ বিডি ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

তরমুজের বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি

তরমুজের বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি
ছবি: সংগৃহীত

আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ঝালকাঠিতে এ বছর তরমুজের বাম্পার ফলন হয়েছে। ভালো ফলন ও দাম বেশি পাওয়ায় হাসি ফুটেছে কৃষকের মুখে।

চাষিরা জানান, ঝালকাঠির তরমুজ খেতে সুমিষ্ট। তাই দেশব্যাপী এর সুনাম রয়েছে। এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ফলন ভালো হয়েছে। আর পাইকাররা সরাসরি ক্ষেত থেকে তরমুজ কেনায় কৃষকের লাভ বেশি হচ্ছে।

চাষিরা এ সময় অভিযোগ করেন, ক্ষেতে তরমুজ পিস হিসেবে বিক্রি হলেও কিছু অসাধু ব্যবসায়ী নিয়ে গিয়ে কেজি হিসেবে বিক্রি করেন।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জেলায় এ বছর ৭৭ হেক্টর জমিতে তরমুজের আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে, রাজাপুর উপজেলায় ৪০ হেক্টর, নলছিটি উপজেলায় ২৮ হেক্টর, ঝালকাঠি সদর উপজেলায় ৫ হেক্টর ও কাঁঠালিয়া উপজেলায় ৪ হেক্টর জমিতে তরমুজের আবাদ হয়েছে।

জেলার সব চেয়ে বড় তরমুজ ক্ষেত রাজাপুর উপজেলার মঠবাড়ি ইউনিয়নের মানকি সুন্দর ও বরইয়া ইউনিয়নের পালট গ্রামে। মানকি সুন্দর চরে প্রায় ৭০ একর জমিতে একটি তরমুজ ক্ষেত রয়েছে। স্থানীয় ইউপি সদস্য কবির হোসেনের নেতৃত্বে কৃষকরা একত্রিত হয়ে এখানে তরমুজ আবাদ করেছেন।

ক্ষেতটি বিষখালী নদীর তীরবর্তী হওয়ায় পানি দেওয়ায় কৃষকদের সুবিধা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পাইকাররা এখান থেকে নৌপথে তরমুজ নিয়ে যাচ্ছেন। তিন দিন পূর্বে এখানকার তরমুজ বিক্রি শুরু হয়েছে। আকারভেদে ২০০-৬০০ টাকা পর্যন্ত প্রতিটি তরমুজ পাইকারি বিক্রি হচ্ছে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য ও তরমুজ চাষি মো. কবির হোসেন বলেন, গত পাঁচ-ছয় বছর ধরে আমরা তরমুজ চাষ করছি। এবার ফলন ভালো হয়েছে। আশা করি লাভবান হতে পারব।

তরমুজ চাষি মামুন মোল্লা বলেন, তরমুজ বিক্রির মৌসুম কেবল শুরু হয়েছে। আমাদের এখানকার তরমুজ আকারে বড় ও মিষ্টি হওয়ায় ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে বরিশাল, পিরোজপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আমাদের তরমুজ যাচ্ছে।

ঝালকাঠি জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মুনিরুল ইসলাম বলেন, কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে তরমুজ চাষিদের সব ধরণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি এ বছর আবহাওয়া ভালো থাকায় ফলন ভালো হয়েছে। আশা করা যায়, কৃষকরা এ বছর লাভবান হবেন।

এজেড নিউজ বিডি ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Download
ঠিকানা: মনসুরাবাদ হাউজিং, ঢাকা-১২০৭ এজেড মাল্টিমিডিয়া লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান।