ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে গাজার ৩৫% ভবন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক এজেড নিউজ বিডি, ঢাকা
ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে গাজার ৩৫% ভবন
ছবি: সংগৃহীত

২০২৩ সালের অক্টোবরে হামাসের হামলার জবাবে ইসরায়েলের প্রতিশোধ অভিযান শুরুর পর থেকে গাজার ৩৫% বেশি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে বলে উঠে এসেছে নতুন এক বিশ্লেষণে।

যুক্তরাষ্ট্রের স্যাটেলাইট সেন্টারের স্যাটেলাইট ছবি বিশ্লেষণ করে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

জাতিসংঘের স্যাটেলাইট সেন্টার ২৯ ফেব্রুয়ারি স্যাটেলাইট ছবি বিশ্লেষণ করে একটি প্রতিবেদন তুলে ধরে।

এতে দেখা যায়, গাজা উপত্যকার ভবনের ৩৫% বা অন্তত ৮৮,৮৬৮টি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে।

এরমধ্যে ৩১,১৯৮টি পুরোপুরি ধ্বংস, ১৬,৯০৮টি ক্ষতিগ্রস্ত ও ৪০,৭৬২টি ভবন কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

গাজাজুড়ে আবাসিক এলাকাগুলো ধ্বংস হয়ে গেছে; আগে যেখানে ব্যস্ত বাণিজ্যিক এলাকা ছিল, সেখানে এখন ধ্বংসস্তূপ। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। কৃষিজমিগুলোতে যেন চালানো হয়েছে খনন কাজ।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ইসরায়েল অভিযান শুরু করার পর প্রায় ১৭ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে, যা গাজার মোট জনসংখ্যার ৮০% বেশি। বাস্তুহারা এই মানুষগুলোর অর্ধেক এখন গাদাগাদি করে বেঁচে থাকার চেষ্টা করছেন গাজা ভূখণ্ডের দক্ষিণ প্রান্তে।

বিবিসি লিখেছে, ইসরায়েলের অভিযানে কৃষিজমিও যেভাবে ধ্বংস করা হয়েছে, তার মাত্রা স্পষ্ট হয়েছে তাদের বিশ্লেষণে।

খান ইউনিস এলাকায় ১২,২৭৯টি ভবন ধ্বংস হয়েছে। যারমধ্যে ২,০১০টি ভবন পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে।

শহরের কেন্দ্রস্থলের ১৬ তলা আবাসিক ভবন আল-ফাররা টাওয়ার ছিল গাজার সবচেয়ে উঁচু ভবন। আগের এবং পরের ছবি মিলিয়ে দেখা যাচ্ছে, গত ৯ জানুয়ারি মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে ভবনটি। আশপাশের ভবনেরও মোটামুটি একই পরিণতি হয়েছে ইসরায়েলের বোমা বর্ষণে।

বিবিসি লিখেছে, পুরো গাজায় ১ লাখ ৪৪ হাজার থেকে ১ লাখ ৭৫ হাজার ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে, যা গাজার মোট ভবনের ৫০-৬১%-এর মধ্যে।

গাজা যদিও আমদানি করা খাদ্যের ওপর অনেক বেশি নির্ভরশীল ছিল, তারপরও এ এলাকার ফিলিস্তিনিদের খাদ্য চাহিদার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ নিজস্ব কৃষিজমি থেকে মিটত। ত্রাণ সংস্থাগুলো বলছে, গাজার অর্ধেক মানুষ এখন অনাহারে ভুগছে।

এদিকে ইসরায়েলে সব অস্ত্রের চালান বন্ধ করবে বলে বুধবার জানিয়েছেন কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেলানি জোলির কার্যালয়।

অবরুদ্ধ ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড একটি ক্রমবর্ধমান মানবিক সংকটের সম্মুখীন হচ্ছে। কয়েক মাস ধরে চলা আক্রমণে লাখো গাজাবাসী দুর্ভিক্ষের দ্বারপ্রান্তে রয়েছেন।

এজেড নিউজ বিডি ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে গাজার ৩৫% ভবন

ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে গাজার ৩৫% ভবন
ছবি: সংগৃহীত

২০২৩ সালের অক্টোবরে হামাসের হামলার জবাবে ইসরায়েলের প্রতিশোধ অভিযান শুরুর পর থেকে গাজার ৩৫% বেশি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে বলে উঠে এসেছে নতুন এক বিশ্লেষণে।

যুক্তরাষ্ট্রের স্যাটেলাইট সেন্টারের স্যাটেলাইট ছবি বিশ্লেষণ করে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

জাতিসংঘের স্যাটেলাইট সেন্টার ২৯ ফেব্রুয়ারি স্যাটেলাইট ছবি বিশ্লেষণ করে একটি প্রতিবেদন তুলে ধরে।

এতে দেখা যায়, গাজা উপত্যকার ভবনের ৩৫% বা অন্তত ৮৮,৮৬৮টি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে।

এরমধ্যে ৩১,১৯৮টি পুরোপুরি ধ্বংস, ১৬,৯০৮টি ক্ষতিগ্রস্ত ও ৪০,৭৬২টি ভবন কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

গাজাজুড়ে আবাসিক এলাকাগুলো ধ্বংস হয়ে গেছে; আগে যেখানে ব্যস্ত বাণিজ্যিক এলাকা ছিল, সেখানে এখন ধ্বংসস্তূপ। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। কৃষিজমিগুলোতে যেন চালানো হয়েছে খনন কাজ।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ইসরায়েল অভিযান শুরু করার পর প্রায় ১৭ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে, যা গাজার মোট জনসংখ্যার ৮০% বেশি। বাস্তুহারা এই মানুষগুলোর অর্ধেক এখন গাদাগাদি করে বেঁচে থাকার চেষ্টা করছেন গাজা ভূখণ্ডের দক্ষিণ প্রান্তে।

বিবিসি লিখেছে, ইসরায়েলের অভিযানে কৃষিজমিও যেভাবে ধ্বংস করা হয়েছে, তার মাত্রা স্পষ্ট হয়েছে তাদের বিশ্লেষণে।

খান ইউনিস এলাকায় ১২,২৭৯টি ভবন ধ্বংস হয়েছে। যারমধ্যে ২,০১০টি ভবন পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে।

শহরের কেন্দ্রস্থলের ১৬ তলা আবাসিক ভবন আল-ফাররা টাওয়ার ছিল গাজার সবচেয়ে উঁচু ভবন। আগের এবং পরের ছবি মিলিয়ে দেখা যাচ্ছে, গত ৯ জানুয়ারি মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে ভবনটি। আশপাশের ভবনেরও মোটামুটি একই পরিণতি হয়েছে ইসরায়েলের বোমা বর্ষণে।

বিবিসি লিখেছে, পুরো গাজায় ১ লাখ ৪৪ হাজার থেকে ১ লাখ ৭৫ হাজার ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে, যা গাজার মোট ভবনের ৫০-৬১%-এর মধ্যে।

গাজা যদিও আমদানি করা খাদ্যের ওপর অনেক বেশি নির্ভরশীল ছিল, তারপরও এ এলাকার ফিলিস্তিনিদের খাদ্য চাহিদার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ নিজস্ব কৃষিজমি থেকে মিটত। ত্রাণ সংস্থাগুলো বলছে, গাজার অর্ধেক মানুষ এখন অনাহারে ভুগছে।

এদিকে ইসরায়েলে সব অস্ত্রের চালান বন্ধ করবে বলে বুধবার জানিয়েছেন কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেলানি জোলির কার্যালয়।

অবরুদ্ধ ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড একটি ক্রমবর্ধমান মানবিক সংকটের সম্মুখীন হচ্ছে। কয়েক মাস ধরে চলা আক্রমণে লাখো গাজাবাসী দুর্ভিক্ষের দ্বারপ্রান্তে রয়েছেন।

এজেড নিউজ বিডি ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Download
ঠিকানা: মনসুরাবাদ হাউজিং, ঢাকা-১২০৭ এজেড মাল্টিমিডিয়া লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান।