২০২৩ সালে বায়ুদূষণে শীর্ষে বাংলাদেশ, এরপরই পাকিস্তান-ভারত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক এজেড নিউজ বিডি, ঢাকা
২০২৩ সালে বায়ুদূষণে শীর্ষে বাংলাদেশ, এরপরই পাকিস্তান-ভারত
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বে বায়ুদূষণের শীর্ষে উঠে এসেছে বাংলাদেশ। এরপরই পাকিস্তান ও ভারতের অবস্থান। ২০২৩ সালে দক্ষিণ এশিয়ার এই তিনটি দেশের বাতাসে যে পরিমাণ দূষিত কণা ছিল তা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মানদণ্ডের চেয়ে প্রায় ১৫ গুণ বেশি।

বায়ুদূষণের ওপর ওয়ার্ল্ড এয়ার কোয়ালিটি রিপোর্ট-২০২৩ শীর্ষক এক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে সুইজারল্যান্ডের বাতাস পর্যবেক্ষণ সংস্থা আইকিউএয়ার। যার বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, বায়ুদূষণে বিশ্বের শীর্ষ তিন দেশের মধ্যে পাকিস্তান দ্বিতীয় অবস্থান ধরে রেখেছে। ইরান এবং আফ্রিকার দেশ চাদকে হারিয়ে বায়ুদূষণে প্রথম ও তৃতীয় অবস্থানে চলে এসেছে বাংলাদেশ ও ভারত।

১৩৪টি দেশ ও অঞ্চলের ৩০ হাজারেরও বেশি পর্যবেক্ষণ স্টেশনের সংগ্রহ করা তথ্যের ওপর ভিত্তি করে আইকিউএয়ার প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে।

২০২২ সালে বিশ্বে বায়ুদূষণের শীর্ষে ছিল আফ্রিকার শাদ। কিন্তু পর্যাপ্ত তথ্য না পাওয়ায় ২০২৩ সালের তালিকা থেকে দেশটি বাদ পড়েছে। এই তালিকা থেকে ইরান ও সুদানকেও বাদ রাখা হয়েছে। ২০২২ সালে বাংলাদেশ বায়ুদূষণে বিশ্বের মধ্যে পঞ্চম আর ভারত অষ্টম শীর্ষস্থানীয় দেশ ছিল।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাতাসে ভেসে বেড়ানো ক্ষুদ্র কণা যা ফুসফুসের ক্ষতি করে সেই পিএম২.৫ এর গড় ঘনত্ব ২০২৩ সালে বাংলাদেশে প্রতি ঘনমিটারে ৭৯ দশমিক ৯ মাইক্রোগ্রামে পৌঁছেছিল, আর পাকিস্তানে ছিল ৭৩ দশমিক ৭ মাইক্রোগ্রামে। যদিও এক্ষেত্রে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) সুপারিশকৃত মান ৫ মাইক্রোগ্রামের বেশি নয়।

আইকিউএয়ারের বায়ুমান বিষয়ক বিজ্ঞান ব্যবস্থাপক ক্রিস্টি চেস্টার শ্রোডার বলেন, “(দক্ষিণ এশিয়ার) ভূগোল ও জলবায়ুর ধরনের কারণেই পিএম২.৫ ঘনত্বের এই ঊর্ধ্বমুখী ধারাটি দেখা যায় কারণ এখানকার দুষণের যাওয়ার কোনো জায়গা নেই। এর পাশাপাশি কৃষিকাজের ধরন, শিল্প কারখানা ও জনসংখ্যার ঘনত্ব ভূমিকা রাখছে।”

২০২৩ সালে বাংলাদেশ ও ভারতে বায়দূষণ বেড়েছে। ২০২২ সালে ভারতে পিএম২.৫ এর ঘনত্ব ডব্লিউএইচও’র সুপারিশকৃত মানের চেয়ে প্রায় ১১ গুণ বেশি ছিল। ভারতের শহরগুলোর মধ্যে রাজধানী নয়া দিল্লির অবস্থা সবচেয়ে খারাপ ছিল, এখানে পিএম২.৫ এর মান প্রতি ঘনমিটারে ৯২ দশমিক ৭ মাইক্রোগ্রাম ছিল।

এক সময় এ তালিকার প্রথম দিকে থাকা চীনে টানা পাঁচ বছর ধরে বায়ুদূষণ কমে যাওয়ার পর গত বছর ফের ৬ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে ৩২ দশমিক ৫ মাইক্রোগ্রামে দাঁড়িয়েছে।

বিশ্বের দেশগুলোর মধ্যে ২০২৩ সালে শুধু অস্ট্রেলিয়া, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, গ্রেনাডা, আইসল্যান্ড, মরিশাস ও নিউজিল্যান্ড ডব্লিউএইচও’র মান অর্জন করতে পেরেছে।

এজেড নিউজ বিডি ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

২০২৩ সালে বায়ুদূষণে শীর্ষে বাংলাদেশ, এরপরই পাকিস্তান-ভারত

২০২৩ সালে বায়ুদূষণে শীর্ষে বাংলাদেশ, এরপরই পাকিস্তান-ভারত
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বে বায়ুদূষণের শীর্ষে উঠে এসেছে বাংলাদেশ। এরপরই পাকিস্তান ও ভারতের অবস্থান। ২০২৩ সালে দক্ষিণ এশিয়ার এই তিনটি দেশের বাতাসে যে পরিমাণ দূষিত কণা ছিল তা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মানদণ্ডের চেয়ে প্রায় ১৫ গুণ বেশি।

বায়ুদূষণের ওপর ওয়ার্ল্ড এয়ার কোয়ালিটি রিপোর্ট-২০২৩ শীর্ষক এক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে সুইজারল্যান্ডের বাতাস পর্যবেক্ষণ সংস্থা আইকিউএয়ার। যার বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, বায়ুদূষণে বিশ্বের শীর্ষ তিন দেশের মধ্যে পাকিস্তান দ্বিতীয় অবস্থান ধরে রেখেছে। ইরান এবং আফ্রিকার দেশ চাদকে হারিয়ে বায়ুদূষণে প্রথম ও তৃতীয় অবস্থানে চলে এসেছে বাংলাদেশ ও ভারত।

১৩৪টি দেশ ও অঞ্চলের ৩০ হাজারেরও বেশি পর্যবেক্ষণ স্টেশনের সংগ্রহ করা তথ্যের ওপর ভিত্তি করে আইকিউএয়ার প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে।

২০২২ সালে বিশ্বে বায়ুদূষণের শীর্ষে ছিল আফ্রিকার শাদ। কিন্তু পর্যাপ্ত তথ্য না পাওয়ায় ২০২৩ সালের তালিকা থেকে দেশটি বাদ পড়েছে। এই তালিকা থেকে ইরান ও সুদানকেও বাদ রাখা হয়েছে। ২০২২ সালে বাংলাদেশ বায়ুদূষণে বিশ্বের মধ্যে পঞ্চম আর ভারত অষ্টম শীর্ষস্থানীয় দেশ ছিল।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাতাসে ভেসে বেড়ানো ক্ষুদ্র কণা যা ফুসফুসের ক্ষতি করে সেই পিএম২.৫ এর গড় ঘনত্ব ২০২৩ সালে বাংলাদেশে প্রতি ঘনমিটারে ৭৯ দশমিক ৯ মাইক্রোগ্রামে পৌঁছেছিল, আর পাকিস্তানে ছিল ৭৩ দশমিক ৭ মাইক্রোগ্রামে। যদিও এক্ষেত্রে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) সুপারিশকৃত মান ৫ মাইক্রোগ্রামের বেশি নয়।

আইকিউএয়ারের বায়ুমান বিষয়ক বিজ্ঞান ব্যবস্থাপক ক্রিস্টি চেস্টার শ্রোডার বলেন, “(দক্ষিণ এশিয়ার) ভূগোল ও জলবায়ুর ধরনের কারণেই পিএম২.৫ ঘনত্বের এই ঊর্ধ্বমুখী ধারাটি দেখা যায় কারণ এখানকার দুষণের যাওয়ার কোনো জায়গা নেই। এর পাশাপাশি কৃষিকাজের ধরন, শিল্প কারখানা ও জনসংখ্যার ঘনত্ব ভূমিকা রাখছে।”

২০২৩ সালে বাংলাদেশ ও ভারতে বায়দূষণ বেড়েছে। ২০২২ সালে ভারতে পিএম২.৫ এর ঘনত্ব ডব্লিউএইচও’র সুপারিশকৃত মানের চেয়ে প্রায় ১১ গুণ বেশি ছিল। ভারতের শহরগুলোর মধ্যে রাজধানী নয়া দিল্লির অবস্থা সবচেয়ে খারাপ ছিল, এখানে পিএম২.৫ এর মান প্রতি ঘনমিটারে ৯২ দশমিক ৭ মাইক্রোগ্রাম ছিল।

এক সময় এ তালিকার প্রথম দিকে থাকা চীনে টানা পাঁচ বছর ধরে বায়ুদূষণ কমে যাওয়ার পর গত বছর ফের ৬ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে ৩২ দশমিক ৫ মাইক্রোগ্রামে দাঁড়িয়েছে।

বিশ্বের দেশগুলোর মধ্যে ২০২৩ সালে শুধু অস্ট্রেলিয়া, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, গ্রেনাডা, আইসল্যান্ড, মরিশাস ও নিউজিল্যান্ড ডব্লিউএইচও’র মান অর্জন করতে পেরেছে।

এজেড নিউজ বিডি ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Download
ঠিকানা: মনসুরাবাদ হাউজিং, ঢাকা-১২০৭ এজেড মাল্টিমিডিয়া লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান।