মোটরসাইকেল আরোহীর ট্রাফিক পুলিশের পা ধরার ভিডিও ভাইরাল, পুলিশ সুপারের ব্রিফিং

জাহাঙ্গীর আলম স্টাফ রিপোর্টার, ঠাকুরগাঁও
মোটরসাইকেল আরোহীর ট্রাফিক পুলিশের পা ধরার ভিডিও ভাইরাল, পুলিশ সুপারের ব্রিফিং
ছবি: প্রতিনিধি

গত রবিবার (৩১ মার্চ) ঠাকুরগাঁও শহরের কালীবাড়ি এলাকায় জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের সামনে এক মোটরসাইকেল আরোহীকে হেলমেট ও ড্রাইভিং লাইসেন্স না থাকার কারণে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন ট্রাফিকের (শহর ও যানবাহন) পুলিশের ইনচার্জ আমজাদ হোসেন। পরে ওই মোটরসাইকেল আরোহী জরিমানা না করতে ট্রাফিক পুলিশ ইনচার্জ আমজাদ হোসেনের হাত, পা ধরে অনুরোধ করেন সেখানের ২৫ সেকেন্ডের এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে। আর তা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন নেটিজেনরা।

এ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলে তা সঠিক নয় বলে জানান ঠাকুরগাঁও পুলিশ সুপার উত্তম প্রসাদ পাঠক।

আজ মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) ঠাকুরগাঁও পুলিশ সুপার উত্তম প্রসাদ পাঠক নিজ কার্যালয়ে এ বিষয়ে একটি সংবাদ সম্মেলনে জানান, গত (৩১ মার্চ) আনুমানিক দুপুর ১টার দিকে শহরের কালীবাড়ি এলাকার জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের সামনে নিয়মিত চেক-পোস্টে এক ব্যক্তির হেলমেট এবং মোটরসাইকেলের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় এবং ড্রাইভিং লাইসেন্সের মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ায়, সেখানে দায়িত্ব রত ট্রাফিক পুলিশ ইনচার্জ ওই ব্যক্তিকে ট্রাফিক আইনে জরিমানা করেন।

পরবর্তীতে উক্ত মোটরসাইকেল চালক ১৫ থেকে ২০ মিনিট পর অন্য কয়েকজন ব্যক্তিকে সাথে নিয়ে উদ্দেশ্য প্রণীতভাবে ট্রাফিক ইনচার্জ আমজাদ হোসেনের হাত পা ধরে কান্নাকাটি করেন এবং মায়ের চিকিৎসার জন্য ওষুধ আনার কথা বলে জরিমানা না করতে অনুরোধ করেন। পরে ওই ব্যক্তির কাছে ট্রাফিক ইনচার্জ আমজাদ হোসেন চিকিৎসার জন্য ওষুধের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখতে চাইলে তিনি সেটিও দেখাতে ব্যর্থ হন। সে সময়ে সেখানে তার সাথে থাকা ব্যক্তি উদ্দেশ্য প্রণীতভাবে এ ঘটনার গোপনে ভিডিও ধারণ করে এবং তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে, যা মুহূর্তেই সবার মাঝে ছড়িয়ে পড়ে। যা ছিল সম্পূর্ণ বানোয়াট এবং উদ্দেশ্য প্রণীত।

তিনি আরো বলেন, এ নিয়ে বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়াসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয় যা সঠিক নয়। পুলিশকে জনগণের নিকট হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য উদ্দেশ্যমূলক ভাবে বানোয়াট নাটক সাজিয়ে এটি প্রকাশ করা হচ্ছে । তাই এ বিষয়ে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ করেন পুলিশ সুপার উত্তম প্রসাদ পাঠক।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উক্ত মোটরসাইকেল আরোহী পার্শ্ববর্তী জেলা পঞ্চগড়ের বোদা থানা এলাকার বাসিন্দা।

উল্লেখ্য যে, গত ৩১ মার্চ ঠাকুরগাঁও শহরের কালীবাড়ি এলাকার জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের সামনে অসুস্থ মায়ের জন্য ওষুধ কিনতে মোটরসাইকেল নিয়ে দোকানে যাওয়ার পথে ট্রাফিক পুলিশের চেকপোষ্টের মুখে পড়েন এক মোটরসাইকেল আরোহী এ সময় ট্রাফিক পুলিশের হাত পা ধরে মাফ চাইলেও জরিমানা থেকে রক্ষা পায়নি ওই মোটরসাইকেল আরোহী। আর এমন ঘটনার (২৫ সেকেন্ডের) একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন নেটিজেনরা।

এজেড নিউজ বিডি ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

মোটরসাইকেল আরোহীর ট্রাফিক পুলিশের পা ধরার ভিডিও ভাইরাল, পুলিশ সুপারের ব্রিফিং

মোটরসাইকেল আরোহীর ট্রাফিক পুলিশের পা ধরার ভিডিও ভাইরাল, পুলিশ সুপারের ব্রিফিং
ছবি: প্রতিনিধি

গত রবিবার (৩১ মার্চ) ঠাকুরগাঁও শহরের কালীবাড়ি এলাকায় জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের সামনে এক মোটরসাইকেল আরোহীকে হেলমেট ও ড্রাইভিং লাইসেন্স না থাকার কারণে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন ট্রাফিকের (শহর ও যানবাহন) পুলিশের ইনচার্জ আমজাদ হোসেন। পরে ওই মোটরসাইকেল আরোহী জরিমানা না করতে ট্রাফিক পুলিশ ইনচার্জ আমজাদ হোসেনের হাত, পা ধরে অনুরোধ করেন সেখানের ২৫ সেকেন্ডের এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে। আর তা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন নেটিজেনরা।

এ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলে তা সঠিক নয় বলে জানান ঠাকুরগাঁও পুলিশ সুপার উত্তম প্রসাদ পাঠক।

আজ মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) ঠাকুরগাঁও পুলিশ সুপার উত্তম প্রসাদ পাঠক নিজ কার্যালয়ে এ বিষয়ে একটি সংবাদ সম্মেলনে জানান, গত (৩১ মার্চ) আনুমানিক দুপুর ১টার দিকে শহরের কালীবাড়ি এলাকার জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের সামনে নিয়মিত চেক-পোস্টে এক ব্যক্তির হেলমেট এবং মোটরসাইকেলের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় এবং ড্রাইভিং লাইসেন্সের মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ায়, সেখানে দায়িত্ব রত ট্রাফিক পুলিশ ইনচার্জ ওই ব্যক্তিকে ট্রাফিক আইনে জরিমানা করেন।

পরবর্তীতে উক্ত মোটরসাইকেল চালক ১৫ থেকে ২০ মিনিট পর অন্য কয়েকজন ব্যক্তিকে সাথে নিয়ে উদ্দেশ্য প্রণীতভাবে ট্রাফিক ইনচার্জ আমজাদ হোসেনের হাত পা ধরে কান্নাকাটি করেন এবং মায়ের চিকিৎসার জন্য ওষুধ আনার কথা বলে জরিমানা না করতে অনুরোধ করেন। পরে ওই ব্যক্তির কাছে ট্রাফিক ইনচার্জ আমজাদ হোসেন চিকিৎসার জন্য ওষুধের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখতে চাইলে তিনি সেটিও দেখাতে ব্যর্থ হন। সে সময়ে সেখানে তার সাথে থাকা ব্যক্তি উদ্দেশ্য প্রণীতভাবে এ ঘটনার গোপনে ভিডিও ধারণ করে এবং তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে, যা মুহূর্তেই সবার মাঝে ছড়িয়ে পড়ে। যা ছিল সম্পূর্ণ বানোয়াট এবং উদ্দেশ্য প্রণীত।

তিনি আরো বলেন, এ নিয়ে বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়াসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয় যা সঠিক নয়। পুলিশকে জনগণের নিকট হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য উদ্দেশ্যমূলক ভাবে বানোয়াট নাটক সাজিয়ে এটি প্রকাশ করা হচ্ছে । তাই এ বিষয়ে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ করেন পুলিশ সুপার উত্তম প্রসাদ পাঠক।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উক্ত মোটরসাইকেল আরোহী পার্শ্ববর্তী জেলা পঞ্চগড়ের বোদা থানা এলাকার বাসিন্দা।

উল্লেখ্য যে, গত ৩১ মার্চ ঠাকুরগাঁও শহরের কালীবাড়ি এলাকার জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের সামনে অসুস্থ মায়ের জন্য ওষুধ কিনতে মোটরসাইকেল নিয়ে দোকানে যাওয়ার পথে ট্রাফিক পুলিশের চেকপোষ্টের মুখে পড়েন এক মোটরসাইকেল আরোহী এ সময় ট্রাফিক পুলিশের হাত পা ধরে মাফ চাইলেও জরিমানা থেকে রক্ষা পায়নি ওই মোটরসাইকেল আরোহী। আর এমন ঘটনার (২৫ সেকেন্ডের) একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন নেটিজেনরা।

এজেড নিউজ বিডি ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Download
ঠিকানা: মনসুরাবাদ হাউজিং, ঢাকা-১২০৭ এজেড মাল্টিমিডিয়া লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান।