‘মালের চেয়ে জীবন বড়’

ডেস্ক এডিটর এজেড নিউজ বিডি, ঢাকা
‘মালের চেয়ে জীবন বড়’
ছবি: সংগৃহীত

বাপ-দাদা রেখে গেছেন ব্যবসা। উত্তরাধিকার সূত্রে সেই ব্যবসার হাল ধরেছেন আব্দুল গণি খান। রাজধানীর গুলিস্তানের স্টেডিয়াম মার্কেটে আছে তার ক্রীড়াসামগ্রীর পাঁচটি দোকান। ডেমরার ভাঙ্গা প্রেস এলাকায় আছে গুদাম। চারতলা ভবনের ওই গুদামে ৩-৪ কোটি টাকার মালামাল ছিল। বৃহস্পতিবার (২১ মার্চ) বিকেল পর্যন্ত সেই গুদামে কাজ করেছেন আটজন কর্মচারী। সবকিছু ঠিকঠাক রেখেই চলে গিয়েছিলেন তারা। রাত সাড়ে ১০টার দিকে সেই গুদামে আগুন লাগে। এতে দেড় থেকে দুই কোটি টাকার ক্রীড়াসামগ্রী পুড়ে গেছে।

শুক্রবার (২২ মার্চ) আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত গুদামে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, অনেকে ছুটে এসেছেন আব্দুল গণিকে সান্ত্বনা দিতে। অনেকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে খোঁজ-খবর নিচ্ছেন। চোখ ছলছল করা আব্দুল গণি স্বাভাবিকভাবেই সবার সঙ্গে কথা বলছেন। তিনি বলছেন, সবই আল্লাহর ইচ্ছা। অনেক জায়গায় তো আগুনে পুড়ে অনেকে মারাও যায়। এখানে তো তা হয়নি। মালের চেয়ে জীবন বড়।

অনেকে এসেছেন আব্দুল গণিকে সাহায্য করতে। ভালো থাকা মালগুলো বস্তায় ভরছেন কর্মচারীসহ অন্যরা। উৎসুক লোকজন এসে ঘুরে ঘুরে দেখছেন।

আব্দুল গণির সঙ্গে কথা হয় এ প্রতিবেদকের। তিনি বলেন, রাত সাড়ে ১০টার দিকে আকাশে বিদ্যুৎ চমকায়। এতে গুদাম ভবনে বিদ্যুৎ লাইনে স্পার্ক হয়। এর ফলে দ্বিতীয় তলায় আগুনের সূত্রপাত হয়। ফায়ার সার্ভিসকে ফোন দেওয়া হয়। তারা আসেন। আগুনের সূত্রপাত যেখানে হয়, সেখানে যেতে সময় লাগে। কয়েক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

তিনি বলেন, অনেক জায়গায় আগুনে অনেকের প্রাণ যায়। আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া, আমার গোডাউনে এমন ঘটনা ঘটেনি। মালের চেয়ে জীবন বড়। আল্লাহ সহায়তা করলে আবারও ঘুরে দাঁড়াবো। বাপ-দাদার ব্যবসা ধরে রাখব।

অনেকে বলছেন, আগুন লাগার ঘণ্টাখানেক পর ঘটনাস্থলে আসে ফায়ার সার্ভিস। আরও আগে আসলে ক্ষতি কম হতো। তারা পানি দেওয়ার সময় জানালার গ্লাসগুলো ভাঙেনি। এ কারণে পানি সহজে ভিতরে যায়নি। সঠিকভাবে কাজ করলে হয়তো আরও কিছু মালামাল বাঁচানো যেত।

এজেড নিউজ বিডি ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

‘মালের চেয়ে জীবন বড়’

‘মালের চেয়ে জীবন বড়’
ছবি: সংগৃহীত

বাপ-দাদা রেখে গেছেন ব্যবসা। উত্তরাধিকার সূত্রে সেই ব্যবসার হাল ধরেছেন আব্দুল গণি খান। রাজধানীর গুলিস্তানের স্টেডিয়াম মার্কেটে আছে তার ক্রীড়াসামগ্রীর পাঁচটি দোকান। ডেমরার ভাঙ্গা প্রেস এলাকায় আছে গুদাম। চারতলা ভবনের ওই গুদামে ৩-৪ কোটি টাকার মালামাল ছিল। বৃহস্পতিবার (২১ মার্চ) বিকেল পর্যন্ত সেই গুদামে কাজ করেছেন আটজন কর্মচারী। সবকিছু ঠিকঠাক রেখেই চলে গিয়েছিলেন তারা। রাত সাড়ে ১০টার দিকে সেই গুদামে আগুন লাগে। এতে দেড় থেকে দুই কোটি টাকার ক্রীড়াসামগ্রী পুড়ে গেছে।

শুক্রবার (২২ মার্চ) আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত গুদামে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, অনেকে ছুটে এসেছেন আব্দুল গণিকে সান্ত্বনা দিতে। অনেকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে খোঁজ-খবর নিচ্ছেন। চোখ ছলছল করা আব্দুল গণি স্বাভাবিকভাবেই সবার সঙ্গে কথা বলছেন। তিনি বলছেন, সবই আল্লাহর ইচ্ছা। অনেক জায়গায় তো আগুনে পুড়ে অনেকে মারাও যায়। এখানে তো তা হয়নি। মালের চেয়ে জীবন বড়।

অনেকে এসেছেন আব্দুল গণিকে সাহায্য করতে। ভালো থাকা মালগুলো বস্তায় ভরছেন কর্মচারীসহ অন্যরা। উৎসুক লোকজন এসে ঘুরে ঘুরে দেখছেন।

আব্দুল গণির সঙ্গে কথা হয় এ প্রতিবেদকের। তিনি বলেন, রাত সাড়ে ১০টার দিকে আকাশে বিদ্যুৎ চমকায়। এতে গুদাম ভবনে বিদ্যুৎ লাইনে স্পার্ক হয়। এর ফলে দ্বিতীয় তলায় আগুনের সূত্রপাত হয়। ফায়ার সার্ভিসকে ফোন দেওয়া হয়। তারা আসেন। আগুনের সূত্রপাত যেখানে হয়, সেখানে যেতে সময় লাগে। কয়েক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

তিনি বলেন, অনেক জায়গায় আগুনে অনেকের প্রাণ যায়। আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া, আমার গোডাউনে এমন ঘটনা ঘটেনি। মালের চেয়ে জীবন বড়। আল্লাহ সহায়তা করলে আবারও ঘুরে দাঁড়াবো। বাপ-দাদার ব্যবসা ধরে রাখব।

অনেকে বলছেন, আগুন লাগার ঘণ্টাখানেক পর ঘটনাস্থলে আসে ফায়ার সার্ভিস। আরও আগে আসলে ক্ষতি কম হতো। তারা পানি দেওয়ার সময় জানালার গ্লাসগুলো ভাঙেনি। এ কারণে পানি সহজে ভিতরে যায়নি। সঠিকভাবে কাজ করলে হয়তো আরও কিছু মালামাল বাঁচানো যেত।

এজেড নিউজ বিডি ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Download
ঠিকানা: মনসুরাবাদ হাউজিং, ঢাকা-১২০৭ এজেড মাল্টিমিডিয়া লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান।